





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ রদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রসুন বা পিঁয়াজ খায় সে যেন আমাদের হতে দূরে থাকে অথবা বলেছেন, সে যেন আমাদের মাসজিদ হতে দূরে থাকে আর নিজ ঘরে বসে থাকে”। (উক্ত সানাদে আরো বর্ণিত আছে যে,) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট একটি পাত্র যার মধ্যে শাক-সবজি ছিল আনা হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর গন্ধ পেলেন এবং এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন, তখন তাঁকে সে পাত্রে রক্ষিত শাক-সবজি সম্পর্কে জানানো হলো, তখন একজন সাহাবী [আবূ আইয়ুব]-কে উদ্দেশ্য করে বললেন, তাঁর নিকট এগুলো পৌঁছে দাও। কিন্তু তিনি তা খেতে অপছন্দ করলেন, এ দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি খাও। আমি যাঁর সাথে গোপনে আলাপ করি তাঁর সাথে তুমি আলাপ কর না (ফেরেশ্তাদের সাথে আমার আলাপ হয়, তাঁরা দুর্গন্ধকে অপছন্দ করেন)। আর মুসলিমের বর্ণনায় জাবির ইবনু আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে এ রসুন জাতীয় উদ্ভিদ খাবে- আবার কখনো বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পিয়াজ, রসুন বা রসুন জাতীয় এমন কিছু খাবে সে যেন আমার মসজিদের কাছেও না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায় ফেরেশ্তাগণও সেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায়”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কেউ রসুন বা পেঁয়াজ খেয়েছে তাকে মসজিদে আসতে নিষেধ করেছেন, যাতে তার ভাইদের থেকে যারা জামাতের সালাতে উপস্থিত হয় তারা তার গন্ধে কষ্ট না পায়। এটি খাবার থেকে নিষেধ করা নয়, বরং মসজিদে আসতে অপছন্দ করা মাত্র। কারণ এ দু’টি শষ্য খাওয়া বৈধ। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একটি পাত্র আনা হল যার মধ্যে শাক-সবজি ছিল, যখন তিনি তার গন্ধ পেলেন এবং তাকে তার সবজি সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হল তিনি তা খাওয়া থেকে বিরত থাকলেন এবং তা তার কিছু সাহাবীর নিকট করে দিলেন, যেন সে তা খায়; কিন্তু সেও তাঁর অনুসরণ করে খাওয়া অপছন্দ করলেন, তখন তিনি বললেন: খাও; কারণ, আমি ওহীর সময় ফেরেশ্তাদের সাথে গোপনে কথা বলি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফেরেশ্তাগণ অপ্রীতিকর গন্ধ দ্বারা কষ্ট পায়, যেমন মানুষ তার দ্বারা কষ্ট পায়।
‘আবদুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আসবাব-পত্রের দায়িত্বে এক ব্যক্তি নিযুক্ত ছিল। তাকে কিরকিরাহ নামে ডাকা হত। সে মারা গেল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে জাহান্নামী! লোকেরা তাকে দেখতে গেল আর তারা একটি আবা (বড় জামা) পেল যা সে আত্মসাৎ করেছিল।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জিনিস-পত্রের দায়িত্বে একজন লোক ছিল যাকে কিরকিরা নামে ডাকা হত। সে মারা গেলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে জাহান্নামে তাকে তার পাপের কারণে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে অথবা (তিনি বলেছেন) যদি আল্লাহ তার পাপ মোচন না করেন তাহলে সে জাহান্নামী। অতঃপর সাহাবায়ে কেরাম এর কারণ অনসন্ধানে বের হয়ে তারা একটি আবা পেল যা সে গণীমতের মাল থেকে চুরি করেছিল।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: ‘‘আচ্ছা তোমরা বল তো, যদি কারোর বাড়ির দরজার সামনে একটি নদী থাকে, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে, তাহলে তার শরীরে কোন ময়লা অবশিষ্ট থাকবে কি?’’ সাহাবীরা বললেন, ‘না, কোন ময়লা অবশিষ্ট থাকবে না।’ তিনি বললেন, ‘‘পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরণও সেরূপ। এর দ্বারা আল্লাহ পাপরাশি নিশ্চিহ্ন করে দেন।’’
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিনেরাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়কে, যা ব্যক্তির সগীরাহ গুনাহসমূহের কাফফারা হয় এবং তা মুছে যায়, তার বাড়ির দরজার সামনে একটি নদীর সাথে তুলনা করেছেন, যেখানে সে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে, ফলে তার শরীরে কোন ময়লা ও দুর্গন্ধ অবশিষ্ট থাকে না।
যায়েদ ইবন আরকাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমরা সালাতে কথা বলতাম। সালাতে একজন মানুষ তার পাশের লোকের সাথে কথা বলত। অবশেষে এ আয়াত নাযিল হলো, “তোমরা আল্লাহর চুপ করে দাঁড়াও”। ফলে আমাদের চুপ থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো এবং কথা বলতে নিষেধ করা হলো”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।সালাত হলো বান্দা ও তার রবের মাঝখানে সেতুবন্ধন। সুতরাং মুসল্লি সালাতে আল্লাহর সাথে মুনাজাত ছাড়া অন্য কিছুতে ব্যস্ত হবে না। যেমন যায়েদ ইবন আরকাম রাদিয়াল্লাহু জানান যে, ইসলামের শুরুতে তারা সালাতে প্রয়োজন অনুসারে কথা বলত। ফলে রাসূলের শোনা অবস্থায় তারা পাশের লোকের সাথে তার প্রয়োজনীয় কথা সেরে নিতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বাঁধা দিতেন না। যেহেতু সালাত মাখলুকের সাথে কথা বলা বাদ দিয়ে আল্লাহর সাথে মুনাজাত করাকে বুঝায়, তাই আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে সালাতের হিফাযত করা ও তাতে চুপ থাকার নির্দেশ দেন এবং কথা বলতে নিষেধ করেন। এমনকি আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করেন, “তোমরা আল্লাহর জন্য চুপ করে দাঁড়াও”। এ থেকে সাহাবীগণ জানতে পারলেন যে, তাদেরকে সালাতে কথা বলা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। তাই তারা কথা থেকে বিরত থাকল।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সূর্য্য গ্রহণ হলো। তখন তিনি একজন আহ্বানকারীকে আহ্বান করতে প্রেরণ করলেন: সালাতের জন্যে উপস্থিত হোন। তারা একত্র হলো এবং তিনি সামনে অগ্রসর হলেন। তিনি তাকবীর বললেন, দুই রাকা‘আতে চারটি রুকু‘ ও চারটি সেজদা আদায় করলেন"।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সূর্য্য গ্রহণ হলো। তখন তিনি একজন আহ্বানকারীকে বিভিন্ন রাস্তা ও বাজারসমূহে প্রেরণ করলেন যিনি মানুষকে আহ্বান করে বলবেন, সালাতের জন্যে উপস্থিত হোন, যাতে তারা সালাত আদায় করে এবং আল্লাহর নিকট তাদের গুনাহ মাপ, তাদের প্রতি দয়া করা এবং প্রকাশ্য ও গোপনীয় নি‘আমতসমূহ যেন তাদের জন্য স্থায়ী তার জন্য দো‘আ করেন। তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদে একত্র হলো এবং তিনি তার স্বীয় ইমামতির স্থানে অগ্রসর হলেন, যেখানে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তারপর অলৌকিক নির্দশনের কারণে তাদের নিয়ে তিনি এমন সালাত আদায় করলেন যার কোন দৃষ্টান্ত সাধারণত মানুষের কাছে ছিল না। সালাতটি ছিল ইকামত ছাড়া। তিনি তাকবীর বললেন, দুই সেজদায় দুই রুকূ করলেন এবং আবারও দুই সেজদায় দুই রুকূ করলেন। অর্থাৎ প্রত্যেক রাকা‘আতে দুই রুকূ ও দুই সেজদাহ করলেন।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাতের সকল অংশেই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অর্থাৎ বিভিন্ন সময়ে) সালাত বিতর আদায় করতেন। রাতের প্রথমাংশে, মধ্যভাগে ও শেষাংশের সালাতে বিতর আদায় করতেন। রাতের শেষভাগে সাহরির সময় তার বিতর শেষ হতো।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিতরের সালাতের সময় সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি রাতের সকল অংশেই (অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন রাতে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে) বিতরের সালাত আদায় করতেন। তিনি বিতরের সালাতের জন্য রাতের কোন অংশ নির্ধারিত করে রাখেন নি। রাতের সব অংশেই তিনি বিতরের সালাত আদায় করতেন। কখনও তিনি রাতের প্রথমাংশে ইশার সালাত আদায়ের পরে যতটুকু সম্ভব নফল পড়ে বিতর সালাত আদায় করতেন। আবার কখনও রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ শেষে মধ্যভাগে, আবার কখনও তিনি রাতের দুই তৃতীয়াংশ শেষে রাতের শেষভাগে বিতরের সালাত আদায় করতেন।
‘আমর ইবন শু‘আইব, তার পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করে বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্ততিদেরকে সালাতের আদেশ দাও; যখন তারা সাত বছরের হবে। আর তারা যখন দশ বছরের সন্তান হবে, তখন তাদেরকে সালাতের জন্য প্রহার কর এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।”
আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, পিতার উচিত তার সন্তানদেরকে-ছেলে বা মেয়ে- সাত বছর বয়সে সালাতের আদেশ দেওয়া, তাদেরকে সালাত আদায়ের প্রয়োজনীয় শিক্ষা দেওয়া। আর যখন তারা দশ বছর বয়সে উপনীত হবে, তখন তাদেরকে সালাতের ব্যাপারে আরো বেশি নির্দেশ দিতে হবে। সালাত আদায়ে অলসতা করলে তাকে প্রহার করতে হবে এবং তাদেরকে পিতামাতার ও তাদের পরস্পর বিছানা থেকে আলাদা করে দিতে হবে।
আব্দুর রহমান বিন আবূ লাইলা বলেন, কা’ব বিন ‘উজরাহ আমার সাথে সাক্ষাত করে বলল, আমি কি তোমাকে হাদিয়া দেবো না? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনাকে সালাম দেব তা জানলাম। তবে কীভাবে আপনার উপর সালাত (দরূদ) পেশ করবো? তিনি বললেন, তোমরা বলো:اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ». অর্থ“হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদের উপর এবং মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষন করো। যেমন তুমি রহমত বর্ষন করেছো ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাযিল করো মুহাম্মাদের উপর এবং মুহাম্মাদের পরিবার পরিজনের উপর যেমন বরকত নাযিল করেছো ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমসাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে জিজ্ঞেস করলেন, তার উপরে কীভাবে সালাত(দরূদ) পেশ করবে? যেহেতু তারা ইতোপূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি সালাম দেওয়ার পদ্ধতি ‘আত্তাহিয়্যাতু’তে জেনেছেন এভাবে যে, ‘আসসালামু আলাইকা আইয়ুহান নাবিয়্যু ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ’ অর্থ: হে নবী ! আপনার উপর (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সবধরনের নিরাপত্তা , রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে তাঁর প্রতি সালাত (দরূদ)পেশ করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করালেন। এর অর্থ হলো: «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ». “হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরের উপর সালাত বর্ষণ করুন।” অর্থাৎ আপনি উচ্চমর্যদা সম্পন্ন ফেরাশ্তাদের সামনে প্রশংসা সহ উত্তমভাবে তাঁকে তার পর তাঁর দ্বীনের অনুসারীদেরকে ও তাঁর মুমিন আত্মীয়-স্বজনদেরকে স্মরণ করুন। "كما صلَّيتَ على آل إبراهيم" “যেরূপ আপনি ইবরাহীমের বংশের ওপর সালাত বর্ষণ করেছেন।” যেমনিভাবে আপনি ইবরাহীমের বংশধর, তারা হলেন ইরবাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক ও তাদের বংশধর এবং তাদের মুমিন অনুসারীদেরকে অনুগ্রহ দান করেছেন, সেভাবে আপনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপরও আপনার অনুগ্রহ দান করুন। "إنك حميد مجيد" “নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত সম্মানিত।” অর্থাৎ আপনি আপনার স্বীয় সত্তায়, গুণাবলীতে এ কর্মে প্রশংসিত। আপনি আপনার সম্মান, ক্ষমতা ও অনুগ্রহে মহান, সুপ্রশস্ত। «اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ». “হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরের উপর তেমনি বরকত দান করুন যেমনি বরকত দান করেছেন ইবরাহীমের উপর।” অর্থাৎ তাকে অধিক কল্যাণ ও সম্মান-মর্যাদা দান করুন, তা বৃদ্ধি করুন এবং তা স্থায়ী করুন।
উবাদাহ ইবন সামেত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ফাতিহা পড়ল না তার সালাত নেই।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন , সূরাহ ফাতিহা পড়া ব্যতীত সালাত আদায় করলে তা সহীহ হবে না। এটি সালাতের প্রতি রাক‘আতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুকন।