





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
হুযাইফা রদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, তখন তিনি কোন একটি কওমের আবর্জনা স্তুপের কাছে এসে দাঁড়িয়ে প্রসাব করলেন, তখন আমি দূরে সরে দাঁড়ালে তিনি আমাকে বললেন: “কাছে দাঁড়াও”, তখন আমি কাছে এসে একেবারে তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম, তারপরে তিনি অযূ করলেন এবং দুটি মোজার উপরে মাসেহ করলেন।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমহুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রদিয়াল্লাহু আনহুমা সংবাদ দিচ্ছেন যে, তিনি একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রসাব করার ইচ্ছা করলেন, এরপরে তিনি কোন এক কওমের আবর্জনার স্তুপের কাছে গেলেন, এটি হচ্ছে এমন স্থান যেখানে বাড়ী-ঘরের ময়লা ধুলামাটি ঝাড়ু দিয়ে ফেলা হয়। তারপরে তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে প্রসাব করলেন। তবে তার অধিকাংশ সময়ের অভ্যাস ছিল, তিনি বসে প্রসাব করতেন। তখন হুযাইফা তার থেকে দূরে সরে গেলেন, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: কাছে আস, তখন হুযাইফা কাছে আসতে থাকলেন, এমনকি তিনি তার পিছনে একদম দুই পায়ের গোড়ালীর নিকটে দাঁড়ালেন, যাতে করে ঐ অবস্থায় তাঁকে দেখা যাওয়ার ব্যাপারে তিনি তার জন্য পর্দার ন্যায় হয়ে যান। এরপরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অযু করলেন, আর দুই পা ধোয়ার সময়ে তিনি তার দুই পায়ের মোজা না খুলে তার উপরে মাসেহ করে রেখে দিলেন। -(خف) তথা মোজা হচ্ছে: পায়ে পরিধান করা হয় এমন বস্তু যা পাতলা চামড়া অথবা অনুরূপ কিছু হতে তৈরী এবং দুই পায়ের টাখনুকে ঢেকে রাখে-।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি একবার মদীনার কোন এক রাস্তায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি (আবূ হুরাইরাহ) তখন (জানাবাত) অপবিত্র অবস্থায় ছিলেন। এ কারণে তিনি আস্তে করে পাশ দিয়ে চলে গেলেন এবং গোসল করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে খোঁজ করলেন। যখন তিনি আসলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “হে আবূ হুরাইরাহ তুমি কোথায় ছিলে"? তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার সঙ্গে যখন আমার সাক্ষাৎ হয় তখন আমি অপবিত্রাবস্থায় ছিলাম। তাই আমি গোসল না করে আপনার মাজলিসে বসা ভাল মনে করিনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “সুবহানাল্লাহ! মুমিন তো অপবিত্র হয় না”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার এক রাস্তায় আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে দেখা করেন। আবু হুরায়রা তখন অপবিত্র অবস্থায় ছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি শ্রদ্ধার কারণে, তিনি তাঁর সাথে বসে থাকা এবং তাঁর সাথে কথা বলা অপছন্দ করতেন, কারণ তিনি মনে করতেন তিনি অপবিত্র। তাই সে গোপনে গিয়ে স্নান করল, তারপর ফিরে এসে বসল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, সে কোথায় গেছে? সে তাঁকে তার অবস্থা এবং জানাবতের কারণে অপবিত্র অবস্থায় তার সাথে বসতে অপছন্দ করেছেন জানালেন। তাই নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবাক হয়ে বললেন: মুমিন পবিত্র এবং কোন অবস্থাতেই সে অপবিত্র হয় না; চাই জীবিত হোক বা মৃত হোক।
নু’মান ইবন বশীর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, “তোমরা তোমাদের (সালাতের) কাতার অবশ্যই সোজা কর, নতুবা আল্লাহ তোমাদের চেহারা পরিবর্তন করে দিবেন। (অথবা তোমাদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে দেবেন।)” অন্য এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাতারসমূহ এমনভাবে সোজা করতেন, যেন তিনি তার দ্বারা তীর সোজা করছেন। যতক্ষণ না তিনি অনুভব করতেন যে, আমরা তাঁর নিকট থেকে এর গুরুত্ব বুঝে নিয়েছি। অতঃপর একদিন তিনি (সালাত পড়ার জন্য) বের হয়ে তিনি (ইমামের জায়গায়) দাঁড়ালেন। এমনকি তিনি তাকবীর বলে সালাত শুরু করতে যাচ্ছেন, এমতাবস্থায় তিনি একটি লোককে দেখলেন যে, সে তার বুক কাতার থেকে বের করে রেখেছে। সুতরাং তিনি বললেন, “হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতারসমূহ সোজা করবে, নচেৎ তিনি তোমাদের চেহারা পরিবর্তন করে দিবেন।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন। - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরুত্ব দেন যে, যদি কাতার সোজা না করে তখন আল্লাহ যাদের কাতার বাঁকা তাদের চেহারার মধ্যে পরিবর্তন করে দিবেন। আর এটি তখন হবে যখন তাদের কাতারে একজন আগে পিছে দাঁড়াবে এবং তাদের মাঝে ফাঁকা থেকে যাবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীদের কথার মাধ্যমে শেখাতেন এবং কাজের মাধ্যমেও দেখাতেন। তিনি তাদের কাতার নিজ হাতে ঠিক করতেন, এক পর্যায়ে তার ধারণা হয় যে, তারা জেনেছেন এবং বুঝেছেন। কোনো এক সালাতে একজন সাহাবীর বুক অন্যান্য সাহাবীদের মধ্যে প্রকাশ পেল। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্ষুব্ধ হলেন এবং বললেন, তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতারসমূহ সোজা করবে, নচেৎ তিনি তোমাদের চেহারা পরিবর্তন করে দিবেন।”
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাবালক হবার নিকটবর্তী বয়সে একদা একটি গাধীর উপর আরোহিত অবস্থায় এলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিনায় সালাত আদায় করছিলেন তার সামনে কোন দেয়াল না রেখেই। তখন আমি কোন এক কাতারের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলাম এবং গাধীটিকে বিচরণের জন্য ছেড়ে দিলাম। আমি কাতারের ভেতর ঢুকে পড়লাম কিন্তু এতে কেউ আমাকে নিষেধ করেননি।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা জানান যে, তিনি বিদায় হজে মিনাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে উপস্থিত ছিলেন। ফলে একটি গাধীর ওপর সাওয়ার হয়ে উপস্থিত হয়ে কোন একটি কাতারের সামনে দিয়ে অতিক্রম করেন। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথীদের নিয়ে সালাত আদায় করছেন তার সামনে কোন দেয়াল ছিল না। তারপর তিনি উট থেকে নামেন এবং তাকে চরতে ছেড়ে দেন। আর নিজে কাতারে প্রবেশ করেন। আর জানান যে, ঐ সময় তিনি প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার কাছাকাছি হন। অর্থাৎ, যে বয়সে বারণ করা হয়। যদি সে কোন অন্যায় কর্ম করত যা মুসল্লীদের সালাতকে নষ্ট করে দেয়, তাহলে অবশ্যই তাকে নিষেধ করা হত। তা সত্বেও কেউ তাকে নিষেধ করেননি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও নয় এবং তার সাথীদের থেকেও কেউ নয়।
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতের ইচ্ছা করতেন তখন দাঁড়ানোর সময় তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর যখন রুকূতে যেতেন তাকবীর বলতেন। অতঃপর যখন রুকূ‘ হতে মেরু দন্ড সোজা করতেন তখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলতেন। অতঃপর দাঁড়ানো অবস্থায় ربنا ولك الحمد বলতেন। তারপর যখন ঝুঁকতেন তাকবীর বলতেন আবার যখন মাথা উঠাতেন তাকবীর বলতেন। অতঃপর সাজদাহ যাওয়ার সময় তাকবীর বলতেন। এবং যখন মাথা উঠাতেন তখনও তাকবীর বলতেন। এভাবেই তিনি পুরো সালাত শেষ না করা পর্যন্ত করতেন। আর দ্বিতীয় রাক‘আতের বৈঠক শেষে যখন (তৃতীয় রাক‘আতের জন্য) দাঁড়াতেন তখনও তাকবীর বলতেন। অতঃপর আবূ হুরায়রা বলেন, “আমি সালাত আদায়ে রাসূলুল্লাল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তোমাদের চেয়ে বেশি সাদৃশ রাখি”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।সালাত পুরোটাই কথা ও কর্মের মাধ্যমে আল্লাহর মহত্ব ও বড়ত্ব প্রকাশ করার নাম। এ হাদীস শরীফে সালাতের একটি নির্দশনের বর্ণনা রয়েছে। আর তা হলো আল্লাহর জন্যে বড়ত্ব ও মহত্বকে সাব্যস্ত করা। বস্তুত সালাতকে আল্লাহর বড়ত্ব ও মহত্ব প্রকাশ করার জন্যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেই তাকবীরকে তার একটি নিদর্শন ও আলামত সাব্যস্ত করা হয়েছে। অতএব যখন সালাতে প্রবেশ করবে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমাহ বলবে, ক্বিরাত থেকে ফারেগ হয়ে যখন রুকুতে ঝুঁকবে তখন তাকবীর বলবে। আর যখন রুকু থেকে দাঁড়াবে, তখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলে সম্পূর্ণরূপে দাঁড়াবে। তারপর দাঁড়ানো অবস্থায় আল্লাহর প্রসংশা করবে। অতঃপর সেজদার জন্যে ঝুঁকাতে তাকবীর বলবে। তারপর যখন সেজদা থেকে মাথা উঠাবে তাকবীর বলবে। এভাবে সে তার পুরো সালাত থেকে ফারেগ হওয়ার আগ পর্যন্ত করে যাবে। দুই তাশাহুদওয়ালা সালাতে যখন সে প্রথম তাশাহুদ থেকে ফারেগ হবে তখন দাঁড়ানোর সময় তাকবীর বলবে। সুতরাং সালাতের প্রতিটি উঠবসকে তাকবীরের সাথে খাস করা হয়েছে তবে রুকু থেকে উঠার সময় ব্যতিত।
আব্দুল্লাহ ইবন উমার, আবূ হুরায়রাহ ও আবূ যার রাদিয়াল্লাহু আনহুম হতে বর্ণিত: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন গরমের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায়, তখন গরম কমলে সালাত আদায় করবে। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ”।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন। - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাহান্নামের তাপ থেকে উৎপন্ন শক্ত গরমের সময় যোহরের সালাতকে ঠাণ্ডা পর্যন্ত দেরী করে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে গরম ও পেরেশানী মনোযোগ নষ্ট না করে।
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “হাজীদের পানি পান করানোর আব্বাস ইবন আব্দুল মুত্তালিব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট মিনার দিনগুলোতে মক্কায় রাত কাটানোর অনুমতি প্রার্থনা করলে তিনি তাকে অনুমতি দিলেন।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।আইয়ামুত তাশরীকের দিনগুলোতে মিনায় রাত্রি যাপন করা হজের একটি অন্যতম ওয়াজিব যা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে করেছেন। কেননা উপরোক্ত দিন ও রাতগুলো মিনাতে যাপন করা আল্লাহর আনুগত্য ও হজের নিদর্শনসমূহের একটি নিদর্শন। অন্যদিকে হাজীদেরকে পানি পান করানোও আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি উপায়। কেননা এ কাজটি আল্লাহর ঘরে হজ করতে আসা হাজীগণ ও মেহমানদের খিদমত। তাই নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় চাচা আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে মিনায় রাত যাপন না করারা অনুমতি দিয়েছেন যাতে তিনি পান করানোর দায়িত্ব পালন করেন। এটি ছিল সামগ্রিক কল্যাণকর কাজ। যাতে প্রমাণিত হয় অন্য কেউ ছিল না যে তার মতো কাজটি করতে পারবে। আর যার কোন সমস্যা নেই সে এ বিশেষ ছাড় পাবে না।
আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: “জানাযাকে দ্রুত নিয়ে যাও, কেননা যদি সে নেককার হয় তবে তোমরা তাকে তার কল্যাণের দিকে দ্রুত পৌঁছে দিবে। আর যদি সে ভিন্ন কিছু হয় তবে তোমরা একটা অকল্যাণ তোমাদের ঘাড় (দায়িত্বভার) থেকে দ্রুত নামিয়ে দিলে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্রুত জানাজার প্রস্তুতি নিতে, জানাজার সালাত পড়তে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দাফন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। যদি জানাজা ভালো হয়, তাহলে এটা ভালো যে তুমি তাকে কবরের নিআমতের কাছে এগিয়ে দিচ্ছ আর যদি তা ভিন্ন কিছু হয়, তাহলে এটা একটা মন্দ যা তোমরা তোমার ঘাড় থেকে সরিয়ে ফেলছো।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেতে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একবার একটি ছাগল হাদীয়াহ দেওয়া হলো।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময় উটকে হাদী হিসেবে প্রেরণ করতেন। কারণ, উট অধিক উপকারী ও সাওয়াবের দিক দিয়েও বেশি। আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা উল্লেখ করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা একটি ছাগল হাদী হিসেবে প্রেরণ করেন। আর চতুষ্পদ জন্তু হাদী প্রেরণ করা বৈধ। তবে চতুষ্পদ জন্তুকে প্রেরণ করাতে রয়েছে আল্লাহর নিদর্শনসমূহের বহিঃপ্রকাশ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে রক্ত প্রবাহিত করা। তাতে রয়েছে দুটি ইবাদত: সাদকা এবং মুর্তি ও ভুতের উদ্দেশ্যে রক্তপাত করার পরিবর্তে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে রক্ত প্রবাহিত করা।