





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফ‘ হিসেবে বর্ণিত: সালাতে হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে। অতএব কেউ যখন হাই তুলে তখন সে যেন যথাসাধ্য তা রোধ করে।
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।সালাতে হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে। কারণ, তা শরীর ভারী হওয়া, ঢিলে ঢালা ও মোটা হওয়া এবং ঘুম ও অলসতার প্রতি ঝুঁকে যাওয়ার কারণে হয়। শয়তানই মানবাত্মাকে প্রবৃত্তির চাহিদা দান করা এবং খানা-পিনায় অস্বাভাবিকতা অবলম্বনের প্রতি আহ্বানকারী। অতএব যখন কোন মুসল্লী হাই তুলা আরম্ভ করে অথবা হাই তুলার ইচ্ছা করে, সে যথা সম্ভব দাঁতগুলো এবং দুই ঠোটকে বন্ধ রেখে তা হযম করার মাধ্যমে প্রতিহত করবে এবং তাকে আঁটকে রাখবে. যাতে শয়তান তার উদ্দেশ্য—তার আকৃতিকে বিকৃত করা, তার মুখে প্রবেশ করা, তাকে নিয়ে হাঁসি ঠাট্টা করা ইত্যাদে সফল হতে না পারে। তারপরও যদি প্রতিহত করতে না পারে তবে সে তার হাত মুখে দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাখবে।
আনাস ইব্নু মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন “মাসজিদে থুথু ফেলা গুনাহের কাজ, আর তার কাফফারাহ (প্রতিকার) হচ্ছে তা দাবিয়ে দেয়া (মুছে ফেলা)”।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।আল-বুযাক্ব অপর বর্ণনায় এসেছে আল-বুসাক্ব। মসজিদের ফ্লোরে বা দেয়ালে থুথু ফেলা অপরাধ ও গুনাহ। এতে লোকটি আল্লাহর আযাবের হকদার হবে। সুতরাং একজন মুসলিমের জন্য কোন অবস্থাতেই মসজিদে থুথু ফেলা বৈধ নয়। কারণে এতে আল্লাহর ঘরসমূহের অপমান করা হয় এবং ময়লা ও আবর্জনা যুক্ত করা হয়। বরং ওয়াজিব হলো যে সব বস্তু মসজিদকে ময়লা করে এবং নাপাক করে তা থেকে রক্ষা করা। কারণ, এটি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান। আল্লাহ বলেন, (অর্থ) “আর যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের সম্মান করল তা তার জন্য তার রবের নিকট উত্তম”। [আল-হজ : ৩০] কিন্তু যদি কোন ব্যক্তি স্বীয় কাপড়, টিস্যু ও রুমাল ইত্যাদিতে থুথু ফেলে মসজিদ অপমান হওয়ার কারণ না থাকায় তাতে কোন অসুবিধা নেই। আর যদি থুথু ভুলে অনিচ্ছাকৃত হয়, তাহলে সে ভুলটি ক্ষমাযোগ্য। আর হাদীসের অর্থ এ নয় যে, ইচ্ছা করে মসজিদে থুথু ফেলবে অতঃপর তা মিটিয়ে দেবে। কারণ, মসজিদে থুথু ফেলাকেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাসাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুনাহ সাব্যস্ত করেছেন। এ শর্তটি সহীহ বুখারী (৪১৪) এবং মুসলিমে (৫৪৮) বর্ণিত হাদীস সমর্থন করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দেয়ালে শীন দেখে কষ্ট পেলেন তারপর তিনি তা নিজ হাতে পরিষ্কার করলেন। যে ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃত মসজিদে থুথু ফেলল, এবং সে চায় যে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিক এবং তার গুনাহ দূর করে দেয়া হোক তাহলে সে যেন দ্রুত তা মসজিদ থেকে দূর করে দেয় যদি মসজিদ পাথরের হয়। আর যদি মসজিদে কার্পেট বিছানো থাকে তাহলে তার কাফ্ফারা হলো খুটে পরিস্কার করা। আর যদি বাকী থাকে তা অবশ্যই গুনাহ যে পরিমাণ বাকী রইল সে পরিমাণ গুনাহ হইবে। আবূ যার রাদিয়িাল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মতের নেক আমল এবং বদ আমলা আমার নিকট তুলে ধরা হলো আমি তার ভালো আমলসমূহের মধ্যে পেলাম রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূরা করা। আর তার খারাপ কর্মসমূহের মধ্যে পেলাম, মসজিদে সীন ফেলা যা পরিস্কার করা হয় না”। বর্ণনায় সহীহ মুসলিম।
উবাদাহ ইবন সামেত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফজরের সালাতে আমরা রাসূলের পিছনে ছিলাম। তিনি কিরাত পড়তে আরম্ভ করলে তার জন্য তা কষ্টকর হলো। তারপর যখন সালাত শেষ করলেন, তিনি বললেন, হতে পারে তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে কিরাত পড়। আমরা বললাম হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল। বললেন, তোমরা তা করো না, তবে সূরা ফাতিহা। কারণ, যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়ে না তার সালাত হয় না।
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।উবাদাহ ইবন সামেত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফজরের সালাতে আমরা রাসূলের পিছনে ছিলাম। তিনি কিরাত পড়তে আরম্ভ করলে তার জন্য তা কষ্টকর হলো। তারপর যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, বললেন, হতে পারে তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে কিরাত পড়। সাহাবীগণ উত্তর দিলেন। “আমরা বললাম হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল।” মনে হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেন কিরাত কষ্টকর হওয়ার কারণ জানতেন না, তাই তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন। অপর একটি বর্ণনা বিষয়টি প্রমাণ করে। “কি হলো যে, আমার সাথে কুরআন নিয়ে টানা হেচড়া করা হয়।” হতে পারে কষ্ট হওয়ার কারণ, তারা তার কিরাতকে যথেষ্ট মনে না করার ত্রুটি থেকে। আর কামিল লোকেরা অনেক সময় তাদের পিছনের দুর্বলতা দ্বারা প্রভাবিত হয়। সুন্নাত হলো মুক্তাদিগণ এতো আস্তে পড়বে যাতে সে নিজে শুনতে পায়। সালাতে জাহরী বা সিররী হোক সব ধরনের সালাত আদায়কারী—, ইমাম, মুক্তাদি ও মুনফারিদ সবার জন্য সালাতে সূরা ফাতিহা পড়া ওয়াজিব। এর ওপর প্রমাণ্য দলীলসমূহ সহীহ হওয়া এবং খাস হওয়ার কারণে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা ফাতিহার পড়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান করেন। তিনি বলেন, তোমরা তা করো না, তবে সূরা ফাতিহা। হতে পারে নিষেধ করা ছিল বড় আওয়ায করা থেকে বা সূরা ফাতিহার ওপর কোন কিছু বাড়ানো থেকে। আর তা এ জন্য যে, যাতে করে ইমাম ও মুসল্লীগণ বিভ্রান্ত না হয়।
বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তুমি সিজদা করো তোমার হাতের তালু মাটিতে রাখো এবং উভয় কনুই উচু করে রাখো”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে সিজদার সময় হাতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তা হল দুই হাতের তালুকে হাতের আঙ্গুলগুলো মিলিয়ে কিবলার দিকে করে মাটিতে রাখবে, যেখানে দুই কনুই - হাত ও বাহুর জয়েন্ট- মাটির স্পর্শ হতে উপরে থাকবে এবং দুই পাশ থেকে দূরে থাকবে।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চোজানু হয়ে বসে সালাত আদায় করতে দেখেছি।
এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন।চার—জানু বসার পদ্ধতি হলো, ডান পায়ের ভেতরের অংশ বাম উরুর নিচে এবং বাম পায়ের ভেতরের ডান উরুর নিচে রেখে নিতম্বের ওপর বসা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছিলেন যখন তিনি তার ঘোড়া থেকে পড়ে গিয়ে ছিলেন ও তার পা ভেঙ্গে গিয়ে ছিল। যখন একজন মুসল্লী ফরয সালাত দাঁড়িয়ে আদায়ে সক্ষম না হয় তখন সে চৌ—জানু বসে সালাত আদায় করবে। এটাই তার জন্যে মুস্তাহাব। আর এ পদ্ধতি হলো, দাড়ানোর বিপরীতে বসার অবস্থায়। কিন্তু দুই সেজদার মাঝখানে এবং দুই তাশাহুদে বসার ক্ষেত্রে মুস্তাহাব হলো প্রথম তাশাহুহে ইফতিরাশ এবং দ্বিতীয় তাশাহুদে তাওয়ার্রুক করবে। পদ্ধতিগুলো সবই মুস্তাহাব ও উত্তম। তাই যদি বসার ক্ষেত্রে নিয়ম ভঙ্গ করে এবং উল্লেখিত নিয়মের ব্যতিক্রম করে তাতেও চলবে। কারণ, উদ্দেশ্য হলো তাশাহুদের জন্য বসা এবং এ সব পদ্ধতি ওয়াজিবের ওপর অতিরিক্ত।
আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফূ হিসেবে বর্ণিত, যখন তোমাদের কেউ সেজদাহ করে সে যেন উটের বসার মতো না বসে। আর সে যেন তার দুই হাতকে তার দুই হাঁটু রাখার আগে রাখে।
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। - এটি দারিমী বর্ণনা করেছেনহাদীস শরীফটি সেজদায় যাওয়ার পদ্ধতির বর্ণনা দেয়। আর তা হলো দুই হাঁটু রাখার পূর্বে দুই রাখা দ্বারা শুরু করবে। আর অন্যান্য হাদীসগুলো সেজদায় যাওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে দুই হাতের পূর্বে হাঁটুদ্বয় রাখার বিষয়টি এসেছে। দুই ধররেন প্রদ্ধতিই বৈধ। সুতরাং, কেই যদি এটি করে বা ওটি করে তাকে ভৎসনা করা যাবে না।
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তার দুই হাঁটুর পূর্বে দুই হাতকে রাখতেন। আর তিনি বলতেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করবেতন।
ইবন খুযাইমাহ এটি বর্ণনা করেছেন।হাদীসটি প্রমাণ করে যে, একজন মুসল্লী সেজদায় যাওয়ার সময় তার দুই হাঁটুর পূর্বে দুই হাতকে মাটিতে রাখবেন। তবে বিষয়টি ওআয়েল ইবন হিজরের হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক। তাতে বলা হয় একজন মুসল্লি যখন সেজদা করার জন্য ঝুঁকবে সে তার দুই হাতের পূর্বে দুই হাঁটুকে যমীনে রাখবে। এটি একটি ইজতিহাদী মাসআলা। সুতরাং আমলের ক্ষেত্রে দুটিরই অবকাশ আছে। এ কারণেই কতক ফকীগ দুটি বিষয়ের মাঝে স্বাধীনতা প্রদান করেছেন। হয় উভয় দিকের হাদীসগুলো দুর্বল হওয়ার কারণে অথবা দুই হাদীসের মধ্যে দ্বন্ধ হওয়ার কারণে; যাতে একটি হাদীস অপর হাদীসের ওপর প্রাধান্য দেওয়ার মতো কোন কিছু নাই।তাই এর ফলাফল হলো অবকাশ দেওয়া এবং উভয় পদ্ধতির মধ্যে স্বাধীনতা দেওয়া।
ওয়ায়েল ইবন হুজর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি ডান দিকে সালাম ফিরানোর সময় বলতেন ’’আসসালামু ’আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’’ এবং বাঁ দিকে সালাম ফিরানোর সময় বলতেন ’’আসসালামু ’আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’’।
আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি তাঁর সালাত ছেড়ে দিতে চাইতেন, তখন তিনি তাঁর ডান ও বামে সালাম বলতেন, ডান দিকে মুখ ঘুরিয়ে বলতেন: (السلام عليكم ورحمة الله وبركاته) এবং তিনি তার বাম দিকে সালাম ফিরাতেন, তার বাম দিকে মুখ ঘুরিয়ে বলতেন: (السلام عليكم ورحمة الله وبركاته)
আবু হুরাইরাহ রদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করে বলেছেন: ‘‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক [ফরয] সালাত বাদ ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদু লিল্লাহ ও ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং একশত পূর্ণ করতে لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ (‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু অহদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু অলাহুল হামদু অহুয়া আলা কুলি শায়ইন ক্বাদীর’) পড়বে, তার গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে; যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমান হয়।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বর্ণনা করেছেন , যে ব্যক্তি ফরয সালাতের পরে বলবে: ‘সুবাহানাল্লাহ’ ৩৩ বার। এটি হচ্ছে আল্লাহকে যাবতীয় কমতি থেকে পবিত্রতা ঘোষণা করা। ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ ৩৩ বার, এটি হচ্ছে আল্লাহকে মুহাব্বাত এবং সম্মান করে তাঁর পূর্ণতার গুণাবলীর মাধ্যমে প্রশংসা করা। ‘আল্লাহু আকবার’ ৩৩ বার, এটি হচ্ছে, এ কথার ঘোষণা যে, আল্লাহ তা‘আলা সব কিছু থেকে বড় এবং সম্মানিত। সংখ্যা (১০০) পূরণের জন্যে বলা: (لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ) এর অর্থ “আল্লাহ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই, আর আল্লাহই সমস্ত রাজত্বের নিরংকুশ মালিক। তিনিই সম্মান ও মুহাব্বাত সমেত যাবতীয় প্রশংসা ও গুণগানের একমাত্র হকদার, এবং তিনি সকল বস্তুর উপর সর্বশক্তিমান, কোন কিছু তাঁকে অক্ষম করতে পারে না। যে কেউ এমনটি বলবে, তার পাপগুলি মুছে ফেলা হবে এবং ক্ষমা করা হবে, যদিও তা উত্তাল তরঙ্গে সমুদ্রের উপরে উঠে আসা সাদা ফেনার মত অধিক হয়ে থাকে।