





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ যুহাইর উমারাহ ইবনু রুআয়বাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “এমন কোন ব্যক্তি কখনোই জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের পূর্বে সালাত ( ফাজর ও আসরের সালাত) আদায় করে”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিচ্ছেন: এমন কেউ জাহান্নামে যাবে না যে নিয়মতি ফজর ও আসরের সালাত আদায় করল। এ দু’টি সালাতকে খাস করেছেন; কারণ এ দু’টি সালাত সবচেয়ে কঠিন। অধিকন্তু সকালের ওয়াক্ত ঘুম ও ঘুমের আরামের সময় হয়। আসরের সময়টা হল দিনের কাজ ও ব্যবসার সময়। কষ্ট হওয়া সত্বেও এই দুই সালাতে যে নিয়মতি হবে সে অন্যান্য সালাত অবশ্যই সংরক্ষণ করবে।
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি, তাহলে মুহাররম মাসের নবম তারিখে অবশ্যই রোযা রাখব।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি, অর্থাৎ পরবতী মুহাররম, তাহলে ইয়াহুদীদের বিরোধিতা করার জন্য দশ তারিখের সাথে মুহাররম মাসের নবম তারিখে অবশ্যই সিয়াম রাখব।’’ কিন্তু পরের বছর মুহাররম আসার পূর্বেই তিনি মারা যান। সুতরাং সুন্নাত হলো, নয় তারিখে সাওম পালন করা যদিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পালন করেননি। কারণ, তিনি যার ওপর প্রত্যয় করেছিলেন, তা অবশ্যই সুন্নত। দশ তারিখের সাথে নয় তারিখে সাওম পালন করার কারণ হলো, শুধু দশ তারিখে ইয়াহুদিদের সাওম পালনে ইয়াহুদীদের সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন না করা। আবার কেউ বলেছেন, আশুরা লাভ করার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা। প্রথম মতামতটি উত্তম। এ বিষয়ে নস বর্ণিত আছে। আল্লাহই ভালো জানেন।
‘উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “কোন মুসলিমের যখন কোন ফরয সালাতের ওয়াক্ত হয়, আর সে উত্তমরূপে সালাতের অযু করে, সালাতের নিয়ম ও রুকূকে উত্তমরূপে আদায় করে, তা হলে যতক্ষণ না সে কোন কাবীরাহ গুনাহে লিপ্ত হবে তার এ সালাত তার পিছনের সকল গুনাহের জন্যে কাফফারাহ হয়ে যাবে। আর এ (ফজীলত) সবসময়ই প্রযোজ্য।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন,যখন ফরয সালাতের সময় হয়, তখন কোনো মুসলিম যদি সুন্দরভাবে পরিপূর্ণ অযু করে, তারপর সালাতে ভয় ভীতি ও বিনয় নম্রতার সাথে দাঁড়ায়, যাতে তার হৃদয় ও সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আল্লাহর দিকে নিবেদিত হয় এবং তাঁর মহত্ত্ব উপলব্ধি করে, আর রুকু, সিজদা ও অন্যান্য সালাতের কাজগুলো পরিপূর্ণ করে, তবে এই সালাত তার পূর্বের ছোট গুনাহগুলো মোচন করে দেবে, যতক্ষণ না সে কোনো বড় গুনাহে জড়ায়। এই ফযীলত সব সময় এবং প্রতিটি সালাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
কা‘ব ইবন ‘উজরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কতক জিকির রয়েছে প্রতিটি ফরয সালাতের পর, যে ব্যক্তি এগুলো পাঠ করবে সে বঞ্চিত হবে না। তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আল হামদু লিল্লাহ এবং চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার বলা।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু যিকির সম্পর্কে জানিয়েছেন, যা বললে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত বা অনুশোচনাগ্রস্ত হবে না; বরং এই বাক্যগুলোর জন্য সে সওয়াব পাবে। এই যিকিরগুলো একের পর এক বলা হয় এবং ফরয সালাতের পরে বলা হয়। সেগুলো হলো: তেত্রিশ বার "সুবহানাল্লাহ", অর্থাৎ আল্লাহকে সব ধরনের অসম্পূর্ণতা থেকে পবিত্র ঘোষণা করা। তেত্রিশ বার "আলহামদুলিল্লাহ", অর্থাৎ আল্লাহর পরিপূর্ণ প্রশংসা করা এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও মহব্বত প্রকাশ করা। চৌত্রিশ বার "আল্লাহু আকবার", অর্থাৎ আল্লাহ সবচেয়ে মহান, সবকিছুর চেয়ে বড় এবং মর্যাদাবান।
সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যাক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনে বলবে: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসুল। আমি সন্তুষ্ট আল্লাহকে রব হিসেবে পেয়ে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাসূল হিসেবে পেয়ে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে।” তার গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আযান শোনার সময় বলে: "أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له" "আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু" অর্থাৎ, আমি সাক্ষ্য দেয় ও স্বীকার করি এবং ঘোষণা করি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্যিকার মাবূদ নেই এবং তিনি একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই। তিনি ব্যাতিত অন্য সব উপাস্য মিথ্যা। "وأن محمدًا عبده ورسوله" "ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু" মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। অর্থাৎ তিনি এমন এক বান্দা যার ইবাদত করা যায় না এবং এমন রাসূল যিনি মিথ্যা বলেন না। "رضيت بالله ربًّا" "রাদিতু বিল্লাহি রাব্বান" অর্থাৎ, আমি আল্লাহকে আমার রব হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিয়েছি, তাঁর রুবুবিয়্যাত, উলুহিয়্যাত, নাম ও গুণাবলীর প্রতি আমি সন্তুষ্ট। "وبمحمد رسولًا" "ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসূলান" অর্থাৎ, আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাসূল হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিয়েছি। তিনি যা নিয়ে এসেছেন এবং আমাদের কাছে যা পৌঁছিয়েছেন তার সবকিছুর প্রতি আমি সন্তুষ্ট। "وبالإسلام" "ওয়া বিল ইসলামি" অর্থাৎ, আমি ইসলামের সব আদেশ ও নিষেধের প্রতি সন্তুষ্ট। "دينًا" "দীনান" অর্থাৎ, বিশ্বাস ও আনুগত্যের সাথে। তাহলে তার গুনাহ ক্ষমা করা হবে। অর্থাৎ ছোট গুনাহ।
উকবা ইবন আমের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক মারফু‘ হিসেবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত,“যে ব্যক্তি তীর নিক্ষেপের জ্ঞান অর্জন করল, তারপর সে তা পরিত্যাগ করল, সে আমাদের দলভুক্ত নয় অথবা সে অবাধ্যতা করল।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় তীর নিক্ষেপ করা যেমন বর্তমান সময়ে বন্দুক মারা ইত্যাদি শিখে ভুলে না যাওয়া পর্যন্ত এর চর্চা করা ছেড়ে দিল, সে নিজেকে পাপের বশবর্তী করল এবং রাসূলের আদর্শ থেকে দূরে ঠেলে দিল; তবে এ দ্বারা এ উদ্দেশ্য নয় যে, সে কাফির হয়ে গেল।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি মারা গেল অথচ তার নফসকে জিহাদ সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করে নি, সে মুনাফিকীর একটি শাখার ওপর মারা গেল।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।জিহাদ করতে সক্ষম প্রত্যেক ব্যক্তির যখন মৃত্যু চলে আসে, অথচ ইতোপূর্বে সে জিহাদ করে নি এবং তার অন্তরকে জিহাদ করার ওপর উদ্বুদ্ধ করে নি, তাহলে বুঝতে হবে তার মধ্যে কিছুটা নিফাকি বিদ্যমান আছে। আর জিহাদের বাহ্যিক নিদর্শন হলো, যুদ্ধের অস্ত্র তৈরি করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “যদি তারা বের হওয়ার ইচ্ছা করত, তাহলে তার জন্য তারা প্রস্তুতি গ্রহণ করত”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৪৬] আর তাঁর বাণী: “সে মুনাফিকির একটি শাখার ওপর মারা গেল।” অর্থাৎ নিফাকের ধরণসমূহের একটি ধরণের ওপর। অর্থাৎ যে এর ওপর মারা যাবে সে মুনাফিক ও জিহাদ থেকে পিছে থাকা ব্যক্তিদের সাথে সাদৃশ্য রাখলো। আর যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য রাখে সে তাদেরই দলভুক্ত। সুতরাং প্রত্যেক মুমিনের ওপর ওয়াজিব হলো জিহাদের নিয়ত করা।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আরাফার দিন অপেক্ষা এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আল্লাহ সর্বাধিক বেশি সংখ্যায় বান্দাকে দোযখমুক্ত করেন। এ দিন তিনি (বান্দার) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদের সম্পর্কে ফিরিশতাদের নিকট গৌরব করে বলে, তারা কী চায়?”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।“আরাফার দিন অপেক্ষা এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আল্লাহ সর্বাধিক বেশি সংখ্যায় বান্দাকে দোযখ-মুক্ত করেন।” অর্থাৎ দিনসমূহের মধ্যে ‘আরাফার দিনের মতো আর কোনো দিন নেই যেদিন আল্লাহ তার ইচ্ছা অনুযায়ী জাহান্নাম থেকে অধিক মানুষকে মুক্তি ও নাজাত দেন। “এ দিন তিনি (বান্দার) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদের সম্পর্কে ফিরিশতাদের নিকট গৌরব করেন।” অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা বাস্তবেই তার বান্দাদের কাছে আসেন। তাদের নিয়ে ফিরিশতাদের মধ্যে গর্ব করেন। ফিরিশতাদের কাছে হাজীগণের মর্যাদা ও সম্মান প্রকাশ করেন। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত বিশ্বাস করেন, স্বীয় শান ও মহত্ব অনুযায়ী বাস্তবেই আল্লাহ তার বান্দাদের নিকটে। আর তিনি তার আরশের ওপর আসন গ্রহণ করে আছেন। তার মাখলুক থেকে আলাদা। আর তিনি সত্যি সত্যি বান্দাদের দিকে অগ্রসর হন এবং সত্যি সত্যি তাদের কাছে আসেন। “তারা কী চায়” “এ দিন তিনি (বান্দার) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদের সম্পর্কে ফেরেশতাদের নিকট গৌরব করেন” তখন তিনি বলেন, “তারা কী চায়” অর্থাৎ তারা কোন জিনিষটি কামনা করে? যার জন্য তারা তাদের পরিবার পরিজন, ঘরবাড়ী ছেড়ে আসল, টাকা-পয়সা খরচ করল এবং দেহকে কষ্ট দিল। অর্থাৎ একমাত্র ক্ষমা, সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও সাক্ষাত চায়। আর তারা যা কামনা করল তা তারা লাভ করল। আর তাদের মর্যাদা তাদের নিয়ত অনুযায়ী।
আবূ হুরাইরাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা সমুদ্রে যাত্রা করি এবং পান করার জন্য সাথে সামান্য (মিঠা) পানি বহন করি। আমরা যদি তা দিয়ে অযু করি তাহলে পিপাসায় থাকতে হয়। সুতরাং এরূপ অবস্থায় আমরা সমুদ্রের পানি দিয়ে অযু করব কী? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং তার মৃত প্রাণী (খাওয়া) হালাল”।
এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করল এবং বলল: আমরা শিকার, ব্যবসা ও এই জাতীয় অন্যান্য কাজের জন্য সমুদ্রে যাত্রা করি এবং পান করার জন্য আমাদের সাথে সামান্য (মিঠা) পানি বহন করি। আমরা যদি পান করার পানি অযু ও গোসলে ব্যবহার করি তাহলে তা শেষ হয়ে যাবে এবং আমরা পান করার জন্য কিছু পাব না; সুতরাং এরূপ অবস্থায় আমাদের জন্য সমুদ্রের পানি দ্বারা অযু করা বৈধ কী? তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমুদ্রের পানি সম্পর্কে বললেন, তার পানি পবিত্র ও পবিত্রকারী; তা দিয়ে অযু ও গোসল করা বৈধ এবং তা থেকে যা বের হয়, যেমন মাছ, তিমি ইত্যাদি হালাল, যদিও তা মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং শিকার করা ছাড়াই সমুদ্রে পৃষ্ঠে ভাসা অবস্থায় পাওয়া যায়।