





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আব্দুর রহমান ইবনে সামুরাহ —রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু— বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “হে আব্দুর রহমান ইবন সামুরাহ! তুমি সরকারী পদ চেয়ো না। কারণ যদি তুমি তা চাওয়ার কারণে পাও, তাহলে তার প্রতি তোমাকে সঁপে দেওয়া হবে। (এবং তাতে আল্লাহর সাহায্য পাবে না।) আর যদি তা তোমাকে চাওয়া ব্যতিরেকে দেওয়া হয় তাহলে তাতে তোমাকে সাহায্য করা হবে। আর যখন তুমি কোন কসম খাবে, অতঃপর তা থেকে অন্য কাজ উত্তম মনে করবে, তখন উত্তম কাজটা কর এবং তোমার কসমের কাফ্ফারা দিয়ে দাও”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরকারী পদ চেয়ে নেওয়া থেকে নিষেধ করেছেন। কারণ, যাকে পদ চাওয়ার কারণে তা দেওয়া হয়, লাঞ্চিত হয় এবং দুনিয়ার প্রতি আগ্রহী হওয়া এবং আখিরাতের ওপর তাকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর যদি না চাওয়া সত্বেও তা দেওয়া হয় আল্লাহ তার ওপর তাকে সাহায্য করেন। কোন কিছুর ওপর সপথ করা কোনো কল্যাণকর কাজের জন্য বাধা হবে না। যদি কোন ব্যক্তি সপথ ভিন্ন অন্য কিছুতে কল্যাণ দেখে, তখন সে কাফফারা আদায়ের মাধ্যমে সপথ থেকে রেহাই নিবে এবং কল্যাণকর কাজটি করবে।
“একদা লোকেরা কুবা নামক স্থানে ফজরের সালাত আদায় করছিলেন। এমন সময় তাদের নিকট এক ব্যক্তি এসে বললেন যে, এ রাতে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ হয়েছে। আর তাঁকে কা‘বামুখী হবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কাজেই তোমারা কা‘বার দিকে মুখ কর। তখন তাঁদের চেহারা ছিল শামের (বায়তুল মুকাদ্দাসের) দিকে। একথা শুনে তাঁরা কা‘বার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।কোন এক সাহাবী মদীনার প্রান্তে কুবা মসজিদে গেল। তখন তিনি দেখতে পেলেন যে তাদের নিকট কিবলা পরিবর্তনের সংবাদ পৌঁছেনি। তারা প্রথম কিবলার দিকেই সালাত আদায় করছে। তখন তিনি তাদের কা‘বার দিকে কিবলা পরিবর্তন হওয়ার সংবাদ দিলেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর এ বিষয়ে কুরআন নাযিল করা হয়েছে। তিনি ইঙ্গিত করছেন আল্লাহর নিম্নের বাণীর প্রতি : “আকাশের দিকে তোমার বার বার মুখ ফিরানো আমি অবশ্যই দেখছি। অতএব আমি অবশ্যই তোমাকে এমন কিবলার দিকে ফিরাব, যা তুমি পছন্দ কর। সুতরাং তোমার চেহারা মাসজিদুল হারামের দিকে ফিরাও এবং তোমরা যেখানেই থাক, তার দিকেই তোমাদের চেহারা ফিরাও। আর নিশ্চয় যারা কিতাবপ্রাপ্ত হয়েছে, তারা অবশ্যই জানে যে, তা তাদের রবের পক্ষ থেকে সত্য এবং তারা যা করে, সে ব্যাপারে আল্লাহ গাফিল নন”। [আল-বাকারা: ১৪৪] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও কা‘বাকে কিবলা বানিয়েছেন। তাদের জ্ঞানের গভীরতা, দ্রুত বুঝ ও সংবাদের বিশুদ্ধতার কারণে তারা সাথে সাথে তাদের প্রথম কিবলা বাইতুল মুকাদ্দাস থেকে ঘুরে দ্বিতীয় কিবলা কা‘বা শরীফের দিকে ঘুরে যায়।
ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত: “বিলাল রাতে আযান দেয়, তোমরা খেতে ও পান করতে থাকবে যে পর্যন্ত ইবনে উম্মে মাকতূমের আযান না শুনবে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুয়াজ্জিন ছিল দুইজন। বিলাল ইবন রিবাহ ও অন্ধ সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুম। বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু ফজর উদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের আযান দিতেন। কারণ, তখন ঘুমের সময় হওয়ার ফলে ওয়াক্ত প্রবেশের পূর্বেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়। তাই রাসূলুল্লাহ তার সাহাবীগণকে সতর্ক করেন যে, বিলাল রাতে আযান দেয় তাই তাদেরকে তিনি খেতে ও পান করতে নির্দেশ দেন যাবত না ফজর উদয় হওয়া ও দ্বিতীয় মুয়াজ্জিন ইবন মাকতুম আযান দেয়, কারণ তিনি দ্বিতীয় ফজর উদয় হওয়ার পর আযান দিতেন। এটা সিয়াম পালনকারীর জন্যে ছিল। কারণ তখন সে খানা ও পান করা বন্ধ করে দিত ও ফজরের সালাতের সময় হতো। সময়ের পূর্বে আযান দেওয়া ফজরের সাথেই খাস। এ ছাড়া অন্য সালাতে সময়ের পূর্বে আযান দেওয়া বৈধ নয়। ফজরের সালাতের প্রথম আযান নিয়ে মত প্রার্থক্য রয়েছে যে, তা সালাতের জন্য যথেষ্ট হবে নাকি ওয়াক্ত হওয়ার পর দ্বিতীয়াবার আযান দিতে হবে? জমহুর আলেমদের মত হলো দ্বিতীয়বার আযান দিতে হবে প্রথম আযানে যথেষ্ট করবে না।
আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আমি একদিন হাফসাহর ঘরের ছাদে উঠলাম। তখন দেখলাম, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলার দিকে পিঠ দিয়ে শাম-এর দিকে মুখ করে তাঁর প্রয়োজন পুরণ করছেন”। অপর বর্ণনায় এসেছে: “বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা উল্লেখ করেন যে, তিনি একদিন তার বোন হাফসা রাসূলের স্ত্রীর বাড়িতে আসেন এবং তার বাড়ির ছাদে উঠেন। তিনি দেখলেন রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শামের দিকে মুখ করে এবং কিবলাকে পিছনে দিয়ে তার প্রয়োজন পুরণ করছেন। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এ কথা তাদের কথার উত্তরে বলতেন যারা বলেন, প্রয়োজন পুরণের সময় বাইতুল মুকাদ্দাসকে সামনে রাখা যাবে না। এ কারণেই লেখক, দ্বিতীয় বর্ণনা নিয়ে এসেছেন, যাতে বলা হয়েছে, বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে।
ইব্নু ‘আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জে নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের পিঠে আরোহণ করে তাওয়াফ করেন। তিনি লাঠির দ্বারা হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতেন।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।বিদায়ী হজে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাওয়াফ করেছেন এমতাবস্থায় যে, লোকেরা তার ওপর ভিড় করতেছিল। কেউ তার তাওয়াফের প্রদ্ধতি দেখতেছিল আর কেউ তাকে স্বচক্ষে দেখতেছিল। যার ফলে তারা তার আশপাশে ভিড় জমাতে লাগল। উম্মতের প্রতি তার দয়াদ্রতা ও তাদের মাঝে সমতা বঝায় রাখার জন্য তিনি একটি উটের ওপর আরোহণ করলেন। যাতে লোকেরা তাকে সমানভাবে দেখতে পায়। তার হাতে একটি লাঠি ছিল যার মাথা বাঁকা। তিনি সেটি দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেন এবং লাঠিকে চুম্বন করেন। যেমনটি সহীহ মুসলিমে এ হাদীসের বর্ণনায় এসেছে।
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুই রুকনে ইয়ামনি ছাড়া বাইতুল্লাহর আর কোন অংশকে স্পর্শ করতে দেখিনি।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বার চার কোণের মধ্যে একমাত্র রুকনে ইয়ামনী ও রুকনে আসওয়াদ ছাড়া আর কোন কিছুকে স্পর্শ করতেন না। বাইতুল্লাহর রয়েছে চারটি রুকন। পূর্বের রুকনের রয়েছে দুটি ফযীলত: এক: ইব্রাহীমের ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকা। দুই: তাতে হাজরে আসওয়াদ স্থাপিত থাকা। আর রুকনে ইয়ামনির একটি ফযীলত। ইব্রাহীমি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকা। আর শামী ও ইরাকী রুকনের এ ধরনের কোন ফযীলত নেই। কারণ, এ দুটির ভিত্তি ইব্রাহীমি ভিত্তির অন্তর্ভুক্ত যার কারণে কা‘বা থেকে হাজরে আসওয়াদ পাথরকে এ দুই দিক দিয়ে বের করা হয়। এ কারণেই হাজরে আসওয়াকে স্পর্শ করা ও চুমু দেওয়া উভয়টি শরী‘আত সম্মত। আর রুকনে ইয়ামনী শুধু স্পর্শ করা যাবে চুমু দেওয়া ছাড়া। আর বাকী দুই রুকনকে চুমু দেওয়া স্পর্শ করা কোনটিই শরী‘আত সম্মত নয়। আর শরী‘আতের ভিত্তি হলো অনুকরণের ওপর নতুন কিছু আবিষ্কার করা বা বিদআতের ওপর নয়। আল্লাহর শরী‘আতে রয়েছে প্রজ্ঞা ও রহস্য।
আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন তখন আমি ও আমার মত একটি ছেলে পানির পাত্র এবং ‘আনাযা’ (এমন লাঠি যার মাথায় লোহা লাগানো থাকে) নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা শৌচকার্য করতেন।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমআনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মলত্যাগের জন্য বের হতেন, তখন তিনি এবং তাঁর সমবয়সী একজন খাদেম তাঁর সাথে নিয়ে যেতেন। তারা তাদের সাথে বর্শার মাথার মতো মাথা বিশিষ্ট একটি লাঠি বহন করতেন, যাতে এটিকে একটি সুতরা বানিয়ে তার উপর পর্দা জাতীয় কিছু ঝুলানো যায় অথবা এটিকে একটি সালাতের জন্য সুতরা বানানো যায়। তারা তাদের সাথে পানি ভর্তি একটি ছোট চামড়ার পাত্রও বহন করতেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মলত্যাগ শেষ করতেন, তখন তাদের একজন তাকে পাত্রটি দিতেন এবং তিনি পানি দিয়ে নিজেকে পরিষ্কার করতেন।
আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে আরাফার দিনে (মুযদালিফায়) ফিরছিলেন। এমন সময় নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিছন থেকে (উটকে) কঠিন ধমক ও মারধর করার এবং উঁটের (কষ্ট) শব্দ শুনতে পেলেন। তৎক্ষণাৎ তিনি তাদের দিকে আপন চাবুক দ্বারা ইশারা ক’রে বললেন, “হে লোক সকল! তোমরা ধীরতা ও স্থিরতা অবলম্বন কর। কেননা, দ্রুত গতিতে বাহন দৌড়ানোতে পুণ্য নেই।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফা থেকে ফেরার পথে তার পিছনে একটি বিকট আওয়াজ এবং উটকে প্রহার করা ও উটের চিৎকার শুনতে পান। এ দৃশ্যটি জালিলিয়্যাতের যুগের অভ্যাসেরই ফলাফল। বস্তুত এটি মানুষেরা জাহিলি যুগে যার অভ্যস্ত হয়েছিল তারই এক দৃশ্য ছিল। কারণ, তারা জাহিলিয়্যাতের যুগে যখন আরাফা থেকে ফিরতো তখন পরিবেশ অন্ধকার হয়ে যাওয়ার আগে দিনের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রূত চলত। ফলে তারা উটকে খুব প্রহার করত। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপন চাবুক দ্বারা ইশারা ক’রে বললেন, “হে লোক সকল! তোমরা ধীরতা ও স্থিরতা অবলম্বন কর। কেননা, দ্রুত গতিতে বাহন দৌড়ানোতে পুণ্য নেই।”
আনাস ইবন মালিক হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা জনৈক বেদুঈন এসে মাসজিদের এক পাশে পেশাব করে দিল। তা দেখে লোকজন তাকে ধমক দিতে লাগল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম তাদের নিষেধ করলেন। সে তার পেশাব করা শেষ করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশে এর উপর এক বালতি পানি ঢেলে দেওয়া হল।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।গ্রাম্য লোকদের স্বভাবে ছিল অজ্ঞতা ও মূর্খতা। কারণ, রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর যা নাযিল হয়েছে তা শেখা থেকে তারা ছিল দূরে। একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীদের নিয়ে মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। এ মুহুর্তে একজন গ্রাম্য লোক আসল এবং সে মসজিদের এক পাশে পেশাব করে দিল। তার ধারণা ছিল যে এটি একটি খালি জায়গার মতই। মসজিদের সম্মানের কারণে তার কর্মটি সাহাবীদের কাছে আশ্চর্য রকম মনে হলো। তখন তারা তার পেশাব করার মাঝখানে তাকে ধমক দিল। কিন্তু মহান চরিত্রের অধিকারী যাকে সু-সংবাদ ও সহজীকরণ নিয়ে পাঠানো হয়েছে তিনি তাদেরকে ধমক দিতে না করলেন। কারণ, তিনি গ্রামের লোকদের অবস্থা জানতেন। এ ছাড়াও যাতে মসজিদের অধিক জায়গায় পেশাব ছড়িয়ে না পড়ে এবং তার পেশাব বন্ধ করার কারণে তার ক্ষতি না হয় এবং যেন সে নসীহত ও তা‘লীম সহজেই গ্রহণ করে নেয় যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম তাকে শিক্ষা দেবেন। আর তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন যে, তার পেশাবের উপর এক বালতি পানি ডেলে দিয়ে তার পেশাবের জায়গাটি যেন পবিত্র করে নেয়।