





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, জিবরীল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আগমন করে বললেন, হে মুহাম্মাদ। আপনি কি অসুস্থতা বোধ করছেন? তিনি বললেন, “হ্যাঁ”। তিনি (জিবরীল) বললেনঃ “আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি- সে সব জিনিস হতে, যা আপনাকে কষ্ট দেয়, সব আত্মার খারাবী অথবা হিংসুকের কুদৃষ্টি হতে আল্লাহ আপনাকে মুক্তি দিন, আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনফেরেশতা জিব্রাইল আলাইহিস সালাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন: হে মোহাম্মদ, তুমি কি অসুস্থ? তিনি বললেন: হ্যাঁ। জিব্রাইল নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার নিম্নের কথা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করলেন: «باسم الله» আল্লাহর নামে তার সাহায্য প্রার্থনা করে, «أرقيك» আমি তোমাকে ঝাড়ফুক করটি আমি তোমাকে আশ্রয়ে দিচ্ছি «من كل شيء يؤذيك» ছোট বা বড় সব কষ্টদায়ক বস্তু হতে «من شر كل نفس» "প্রত্যেক আত্মার অনিষ্ট থেকে", «أو عين حاسد» "অথবা ঈর্ষান্বিত ব্যক্তির দৃষ্টি থেকে" যাতে তুমি আক্রান্ত না হও। আল্লাহ «يشفيك» "তোমাকে আরোগ্য" দান করবেন এবং সমস্ত রোগ থেকে রক্ষা করবেন এবং সুরক্ষা দিবেন। «باسم الله أرقيك» "আল্লাহর নামে আমি তোমার উপর রুকিয়া করছি।" তিনি জোর দেওয়ার জন্য এটি পুনরাবৃত্তি করেছেন এবং এটি দিয়েই শুরু ও শেষ করেছেন এই ইঙ্গিত করার জন্য যে তিনি ব্যতীত আর কেউ উপকার করতে পারে না।
১৭৮৫- আবূ শা’সা’ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা (একবার) আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর সঙ্গে মসজিদে বসে ছিলাম। (এমন সময়) মুআয্যিন আযান দিল। তখন এক লোক মসজিদ থেকে চলে যেতে লাগল। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন তার মসজিদ থেকে বের হওয়া পর্যন্ত। অতঃপর আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, ‘এই লোকটি আবুল কাসেম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাফরমানি করল।’
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।আবূ শা‘সা‘ আলোচনা করেন, তারা (একবার) আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর সঙ্গে মসজিদে বসে ছিলেন। (এমন সময়) মুআয্যিন আযান দিল। তখন একটি লোক আযানের পর মসজিদ থেকে চলে যেতে লাগল। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন, সে কি মসজিদ থেকে বের হয় অথবা কি চায়? যখন তার নিকট স্পষ্ট হলো যে সে বের হয়ে গেছে। তখন তিনি সংবাদ দিলেন যে, লোকটি তার এ কর্ম দ্বারা আবুল কাসেম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাফরমানি করল।’
সা’আব ইবনে জাস্সামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (শিকার করা) এক জংলী গাধা উপঢৌকন দিলাম। কিন্তু তিনি তা আমাকে ফিরিয়ে দিলেন। তারপর তিনি আমার চেহারায় (বিষণ্ণতার চিহ্ন) দেখে বললেন, “আমরা ইহরামের অবস্থায় আছি, তাই আমরা এটি তোমাকে ফিরিয়ে দিলাম।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বৈশিষ্ট হলো সে আল্লাহর দীনের ব্যাপারে মানুষকে ছাড় দিতেন না এবং তাদের অন্তরকে খোশ করাও তার থেকে ছুটতো না। সা‘আব ইবন জুসামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর পাশ দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অতিক্রম করলেন। তখন তিনি ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। সা‘আব ইবন জুসামাহ ছিলো তীর নিক্ষেপে পারদর্শী। যখন রাসূল তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল তখন সে তার জন্য একটি জঙ্গলি গাঁধা শিকার করল এবং তার নিকট নিয়ে আসল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা ফিরিয়ে দিলেন। বিষয়টি সা‘আবের নিকট খুব কষ্টকর ঠেকল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে তার হাদীয়া ফেরত দিল? ফলে তার চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে গেল। তারপর যখন তিনি তার চেহারা দেখলেন তার অন্তরকে খুশি করে দিলেন। আর তাকে জানিয়ে দিলেন যে, তিনি তার হাদীয়া ফেরত দিয়েছেন কারণ, তিনি ইহরাম অবস্থায় আছেন। আর মুহরীম ব্যক্তি তার উদ্দেশ্যে শিকার করা জন্তু ভক্ষণ করেন না।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে মারফূ‘ সনদে বর্ণিত, “যখন সালাত আদায় করা অবস্থায় তোমাদের কারো তন্দ্রা আসবে, তখন তার উচিত ঘুমিয়ে যাওয়া, যতক্ষণ না তার ঘুম চলে যাবে। কারণ, তোমাদের কেউ যদি তন্দ্রা অবস্থায় সালাত আদায় করে তাহলে দেখা যাবে যে সে হয়ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে গিয়ে নিজেকে গালি দিচ্ছে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।হাদীসের আলোচ্য বিষয়, ইবাদতে আত্মার ওপর কষ্ট চাপিয়ে দেওয়া অপছন্দ করা। যখন কোনো সালাত আদায়কারী সালাত আদায় অবস্থায় নিজের ওপর ঘুমের প্রচণ্ড চাপ অনুভব করে, তখন তার জন্য উচিত, সালাত ভেঙ্গে ফেলা বা সম্পন্ন করে ঘুমিয়ে পড়া এবং আত্মাকে কিছু সময় বিশ্রাম দেওয়া, যাতে ক্লান্ত থাকা অবস্থায় তার থেকে তার বিপক্ষে দো‘আ করা প্রকাশ না পায়।
আবূ হুমায়দ সা’ঈদী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লুতাবিয়্যা নামে এক লোককে বানী সুলায়ম গোত্রের যাকাত আদায়কারী নিয়োগ করলেন। যখন সে ফিরে আসল তখন তিনি তার নিকট হতে হিসাব-নিকাশ নিলেন। সে বলল, এগুলো আপনাদের মাল, আর এগুলো (আমাকে দেয়া) হাদিয়া। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তুমি সত্যবাদী হয়ে থাক তাহলে তোমার মা-বাবার ঘরে বসে থাকলে না কেন? সেখানেই তোমার কাছে হাদিয়া পৌঁছে যেত। এরপর তিনি আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করার পর তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের কাউকে এমন কোন কাজে নিয়োগ করি, যার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে আল্লাহ্ আমাকে মনোনীত করেছেন। কিন্তু সে কাজ করে এসে বলে, এ হল তোমাদের মাল আর এ হলো আমাকে দেয়া হাদিয়া। তাহলে সে কেন তার মা-বাবার ঘরেই বসে থাকল না, সেখানে এমনিতেই তার কাছে তার হাদিয়া পৌঁছে যেত? আল্লাহর কসম! তোমরা যে কেউ অন্যায় পন্থায় কোন কিছু গ্রহণ করবে, সে কিয়ামতের দিন তা বয়ে নিয়ে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে। আমি তোমাদের কাউকে ভালভাবেই চিনব যে, সে আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবে উট বহন করে; আর উট আওয়াজ দিতে থাকবে। অথবা গাভী বহন করে, আর সেটা ডাকতে থাকবে। অথবা বক্রী বহন করে, আর সেটা পায়খানা করতে থাকবে। তারপর তিনি আপন হাত দু’টি এতদূর উত্তোলন করলেন যে তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? আমার দু’চোখ সে অবস্থা দেখেছে এবং আমার কান শুনেছে।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু সালিম গোত্র থেকে যাকাত আদায়ের জন্য ইবনে আল-লাতিবিয়া নামে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ করেছিলেন। যখন তিনি মদিনায় ফিরে আসেন, তখন তিনি যা গ্রহণ করেছেন এবং যা ব্যয় করেছেন তার হিসাব গ্রহণ করলেন। ইবনু আল-লাতিবিয়া বলেন: এটা আপনাদের সম্পদ যা আমি যাকাত থেকে সংগ্রহ করেছি আর এই সম্পদ আমাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: তুমি কেন তোমার পিতামাতার ঘরে বসে থাকলে না, যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তাহলে দেখতে পেতে তোমাদের হাদিয়া দেওয়া হয় কিনা? তুমি যে হকের (যাকাতের) জন্য কাজ করেছো, সেটাই হলো তোমাকে উপহার দেওয়ার কারণ। আর যদি তুমি তোমার ঘরে থাকতে, তাহলে তোমাকে কিছুই দেওয়া হতো না, তাই শুধু উপহার হিসেবে তোমার কাছে পৌঁছেছে বলেই এটাকে জায়েয মনে করা উচিত নয়। তারপর তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগান্বিত অবস্থায় খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে আরোহণ করলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানালেন, তারপর বললেন: অতঃপর, আমি তোমাদের মধ্য থেকে একজনকে যাকাত ও গণিমতের সম্পদ আদায়ে কর্মী ও দায়িত্বশীল হিসেবে নিযুক্ত করি, যার ওপর কর্তৃত্ব করার অধিকার আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন, তারপর সে তার কাজ থেকে ফিরে এসে বলে: এটা তোমাদের জন্য আর এটা আমার আমার হাদীয় যা আমাকে হাদীয় হিসেবে দেয়া হয়েছে! সে তার বাবা-মায়ের বাড়িতে বসে থাকল না কেন? যাতে তার হাদিয়া ঘরে চলে আসতো? আল্লাহর কসম, কেউ যদি অন্যায়ভাবে কিছু গ্রহণ করে, তবে কিয়ামতের দিন সে তা ঘাড়ে বহন করে আল্লাহর সাথে দেখা করবে, তার গ্রহণ করা প্রাণী যদি উট হয় তার গর্জন থাকবে, অথবা গরু হয় তার হুংকার থাকবে, অথবা ভেড়া হয় তার চিৎকার থাকবে। তারপর তিনি তাঁর হাত এত উঁচু করলেন যে সেখানে বসে থাকা লোকেরা তাঁর বগলের সাদা অংশ দেখতে পেল, তারপর বললেন: হে আল্লাহ, আমি আপনার হুকুম তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। এরপর আবু হামিদ আস-সাঈদী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: এটা এমন সংবাদ যা তার চোখ দেখেছে এবং তার কান শুনেছে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক বেদুঈন মসজিদে পেশাব করে দিল। ফলে লোকেরা তাকে শাসানোর জন্য উঠে দাঁড়াল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওসাল্লাম বললেন, “তাকে ছাড় এবং তার পেশাবের উপর এক কলস অথবা এক বালতি পানি ঢেলে দাও। কেননা তোমাদেরকে সহজ করার জন্য পাঠানো হয়েছে, কঠোরতা করার জন্য পাঠানো হয় নি।”
মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম), তবে শব্দ সহীহ বুখারীর।জনৈক বেদুঈন মসজিদে নববীতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা আরম্ভ করল। লোকেরা তাকে মুখে বকাঝকা করল, হাতে কিছু করে নি। অর্থাৎ চিৎকার করে শাসালো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন, তাকে ছেড়ে দাও, যখন সে পেশাব করা শেষ করলো, তিনি তাদের বললেন, যে জায়গায় সে পেশাব করেছে সেখানে এক বালতি পানি ঢেলে দাও। আর তাদেরকে বুঝিয়ে বললেন, তোমরা সহজের দিকে আহ্বানকারী, মানুষকে তাড়াতে ও হিদায়াত থেকে দূরে সরানোর জন্যে নয়।
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, একবার তারা একটি ছাগল জবাই করলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম বললেন, “তার কিছুই বাকী নেই? তিনি বললেন, তার কাঁধ ছাড়া কিছুই বাকী নেই।’ তিনি বললেন, “কাঁধ ছাড়া সবটাই বাকী আছে।”
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ছাগল জবেহ করলেন। তারপর তার সব সদকা করে দিলেন কাঁধের অংশ ছাড়া। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, ছাগলটি সাওয়াব ও বিনিময় হিসেবে আল্লাহর নিকট বাকী আছে, আমরা তা আখিরাতে পাব। কারণ, তিনি সেটা সাদকা করেছেন। আর যে অংশ সাদকা করা হয়নি সেটা প্রকৃতপক্ষে বাকী নেই।
আবূ আব্দুল্লাহ জাবের ইবন সামুরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন যে, ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সালাত আদায় করতাম। তাঁর সালাতও মধ্যম ধরনের হতো এবং তাঁর খুৎবাও মধ্যম ধরনের হতো।’
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লামের খুৎবা ও সালাত ছিল মধ্যম ধরনের। অধিক লম্বাও নয় আবার একেবারে সংক্ষিপ্তও নয়। মুসলিমদের জন্য সাধারণভাবে এবং ইমাম ও খতীবদের জন্য বিশেষভাবে এটি একটি অনুকরনীয় আদর্শ।
ইয়াস ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ যুবাব রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা আল্লাহর দাসীদেরকে মারবে না”। অতঃপর উমার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন, মহিলারা তাদের স্বামীদের অবাধ্য হচ্ছে। এরপর তিনি তাদেরকে মৃদু আঘাত করার অনুমতি দিলেন। অতঃপর অনেক মহিলা এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের কাছে স্বামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “মুহাম্মাদের পরিবারে কাছে অনেক মহিলা তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এসেছে। সুতরাং যারা স্ত্রীদেরকে প্রহার করে তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম নয়”।
এটি আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীদের প্রহার করতে নিষেধ করেছেন। তারপর আমির মুমিনীন ওমর ইবনু আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, নারীরা তাদের স্বামীদের সাথে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে এবং তাদের চারিত্রিক অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রহার করার অনুমতি দিয়েছেন, কিন্তু কঠোরভাবে নয়, যদি এর কোন কারণ থাকে, যেমন স্বামীর অধিকার পূরণে অস্বীকৃতি, তার অবাধ্যতা ইত্যাদি। এরপর কিছু মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের কাছে এসে তাদের স্বামীদের প্রচণ্ড মারধর এবং এই অনুমতির অপব্যবহারের অভিযোগ করলেন। তাই তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: এই পুরুষরা যারা তাদের স্ত্রীদের প্রচণ্ড মারধর করে তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম নয়।