





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহনে চড়ে হজ্জ সমাধা করেন। আর ঐ বাহনটিই ছিল প্রয়োজনীয় যাবতীয় সাজ-সরঞ্জামের বাহক।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘মাহমাল’ বিহীন (বসার গদি ছাড়াই) উটের পিঠে চড়ে হজ পালন করেছেন। উটের উপর রাখার গদিকে ‘মাহমাল’ বলা হয়। খাদ্য-পানীয় ও আসবাব-পত্র বহন করার তার দ্বিতীয় কোনো উট ছিল না। বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি ও স্বল্প পরিমাণ গ্রহণের প্রমাণ বহণ করে। তবে হাদীসটি দ্বারা হজে আরামদায়ক ও উন্নত যান-বাহন ব্যবহার করা হারাম হওয়ারর প্রমাণ বহন করে না। যদিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণ করে হজের মধ্যে ভোগ-বিলাস ও আরাম-আয়েশ কম করাই উত্তম।
আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা কর্তৃক মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, উকায, মাজিন্নাহ ও যুল-মাজায (ইসলামপূর্ব) জাহেলী যুগে প্রসিদ্ধ বাজার ছিল। ফলে সাহাবায়ে কেরাম (হজের) মৌসুমগুলোতে তথায় ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পাপ মনে করলেন। তাই অবতীর্ণ হলো, যার অর্থ, “(হজের সময়) তোমাদের জন্য তোমাদের রবের অনুগ্রহ কামনা করায় (অর্থাৎ ব্যবসা-বাণিজ্যে) কোনো দোষ নেই।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৯৮]
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।এ জায়গাগুলো মুশরিকদের বাজার ছিল। তারা হজের মৌসুমে এখানে ব্যবসা বাণিজ্য করতো। তাই হজের মৌসুমে তথায় ব্যবসা-বাণিজ্য করলে পাপী হবেন সাহাবীরা আশঙ্কা করলেন। তখন আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করে তাদের জানিয়ে দেন যে, হজের মৌসুমে হজের আহকামগুলো শর‘ঈ পদ্ধতিতে আদায় করে ব্যবসা করলে তাদের হজ নষ্ট হবে না। কারণ, হজের ভেতর ব্যবসা করা বৈধ। তবে উত্তম ও ভালো হচ্ছে হজের আহকামগুলো পালনের জন্য পুরোপুরি ফারেগ থাকা।
উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি নারীকে অকালে গর্ভপাত করানো সম্পর্কে মানুষের কাছে পরামর্শ চাইলেন। তখন মুগীরাহ ইবন শু‘বা বললেন, এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি গোলাম অথবা একটি বাঁদি দ্বারা ফায়সালা করার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম। তখন সে বলল, তোমার সাথে আরও যারা উপস্থিত ছিল তাদের নিয়ে আসো। তখন তার সাথে মুহাম্মাদ ইবন মাসলামহ সাক্ষী দিলেন।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।একজন মহিলার ওপর নির্যাতন করার ফলে সে নিজের গর্ভের সন্তান প্রসবের সময় আসার আগেই মৃত অবস্থায় প্রসব করে। ন্যায় পরায়ণ খলীফা উমার ইবনুল খাত্তাব তার যাবতীয় কর্মে ও বিচার কার্যে সিদ্ধান্ত নিতে সাহাবীগণ ও উলমাদের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। এ মহিলাটি যেহেতু তার গর্ভজাত সন্তানকে অসম্পূর্ণ অবস্থায় মৃত গর্ভপাত করল তার দিয়্যতের বিধানটি তার কাছে অস্পষ্ট রইল। তাই তিনি সাহাবীগণের পরামর্শ নিলেন। তখন মুগীরাহ ইবন শু‘বা রাদিয়াল্লাহ ‘আনহু সংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভজাত সন্তানের দিয়ত একটি গোলাম অথবা একটি বাঁদি দ্বারা ফায়সালা করেন। তারপর উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এ হুকুমটি সম্পর্কে নিশ্চিত হইতে চাইলেন যা কিয়ামত পর্যন্তের জন্য একটি সামগ্রিক আইনে পরিণত হবে। তখন তিনি মুগীরাহকে তাগীদ দিলেন যেন সে তার কথার সত্যতার ওপর ও তার বর্ণনার বিশুদ্ধতার ওপর সাক্ষী উপস্থিত করে। তখন মুহাম্মাদ ইবন মুসলামাহ আল-আনসারী সে যা বলেছে তার সত্যতার ওপর সাক্ষ্য প্রদান করেন।
ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত: এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরল। আর সে তার হাত তার মুখ থেকে টেনে বের করল, ফলে তার সামনের দাঁত পড়ে গেল। তারা দুইজন (অভিযোগ নিয়ে) নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেল। নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তোমাদের কেউ কি অপর ভাইকে এমনভাবে চিবাতে পারে যেমন উট চিবায়, তোমার কোন ক্ষতিপূরণ নেই?”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির ওপর সীমা লঙ্ঘন করল এবং দাঁত দিয়ে তার হাতকে কামড়ে ধরল, ফলে আহত ব্যক্তি কর্তনকারী ব্যক্তির মুখ থেকে হাত টেনে বের করল, ফলে তার সামনের দু’টি দাঁত পড়ে যায়। তারা দুইজন (অভিযোগ নিয়ে) নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেল। যে কামড় দিল সে তার পড়ে যাওয়া দুটি দাঁতের দিয়্যতের দাবি করল। আর যাকে কামড় দেওয়া হলো সে তাকে এ বলে প্রতিহত করছে যে, সে তার হাতকে তাদের দাঁতের থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে কেবল। নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কামড় দাতার দাবীকে প্রত্যাখ্যান করলেন। হিংস্র জন্তু যে কাজ করে তা কীভাবে মানুষ করতে পারে? তিনি বলেন, তোমাদের কেউ তার অপর ভাইকে কামড় দেয় অতঃপর সে আসে তার অপরাধী দাঁতসমূহের দিয়ত চাইতে। তোমার জন্য কোন ক্ষতিপূরণ নেই। যে শুরুকারী সেই অন্যায়কারী।
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: মাররুয-যাহরান নামী স্থানে আমরা একটি খরগোশকে উত্যক্ত করলাম। লোকেরা ছুটোছুটি করে ক্লান্ত হয়ে পড়ল। আর আমি তাকে পেলাম এবং ধরলাম। তারপর তাকে নিয়ে আবূ তালহার নিকট আসলে সে তা জবেহ করল এবং রাসূলুল্লাহর নিকট তার নিতম্ব ও রান প্রেরণ করলে তিনি তা গ্রহণ করেন।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ একটি সফরে ছিলেন। হতে পারে তারা যে স্থানে অবতরণ করেন সেটি ছিল ‘মাররুয যাহরান’ নামী স্থান। এ স্থানে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীদের নিয়ে বিজয়ের বছর অবতরণ করেন। তারা একটি খরগোশকে তাড়া করল। সবাই সেটিকে ধরার জন্য তার পিছু নিল। তিনি বলেন তারা অক্ষম হলে আমি সেটিকে ধরে ফেলি। আনাস ইবন মালিক তখন তার যৌবনে পা দিয়েছেন মাত্র। তিনি সেটিকে ধরে তার মায়ের স্বামী আবু তালহার নিকট নিয়ে গেলে তিনি তা জবেহ করে দেন এবং তা থেকে নিতম্ব রাসূলের জন্য হাদিয়া দেন। তিনি তা গ্রহণ করলেন এবং হতে পারে তিনি তা থেকে খেলেন।
জাবির ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনসারদের একব্যক্তি তার গোলামকে মৃত্যুর পরে কার্যকর হবে এই শর্তে আযাদ করলেন। অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সংবাদ পৌঁছল যে, তাঁর সাহাবীদের একজন তার গোলামকে মৃত্যুর পরে কার্যকর হবে এই শর্তে আযাদ করলেন; অথচ তার এ ছাড়া আর কোন মাল ছিলো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে গোলামটিকে আট’শ দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন এবং প্রাপ্তমূল্য তার নিকট পাঠিয়ে দেন।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।আনসারদের একব্যক্তি তার গোলামকে মৃত্যুর পরে কার্যকর হবে এই শর্তে আযাদ করলেন। অথচ তার এ ছাড়া আর কোন মাল ছিলো না। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে তিনি এ ধরণের আযাদ করাকে বাড়াবাড়ি হিসেবে গণ্য করলেন এবং এ কাজকে তিনি সমর্থন না করে প্রত্যাখ্যান করলেন। তিনি তাঁর গোলামটিকে আট’শ দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন এবং প্রাপ্তমূল্য তার নিকট পাঠিয়ে দেন। কেননা তার জন্য গোলাম আযাদের চেয়ে নিজের ও পরিবারের খরচ বহন করা উত্তম ছিলো। যাতে সে মানুষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়ে। এ ধরণের হাদীসে কতিপয় বিধান রয়েছে যা মানুষের জানা উচিত; যদিও সে তা আমল না করে। বর্তমান যুগে গোলাম প্রথা নেই এ দাবীতে এ সব জ্ঞান অর্জন ও তা গভীরভাবে উপলব্দি করা ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। কেননা বর্তমান যুগেও আফ্রিকায় দাসপ্রথার প্রচলন রয়েছে। আবার হয়ত এ প্রথা ফিরে আসতে পারে। এ প্রথা আদম আলাইহিস সালাম থেকে ইসলামের আগমন পর্যন্ত এমনকি ইসলাম আগমনের পরেও বলবৎ ছিলো। তবে দাস প্রথা থাকলে ইসলাম সর্বদা স্বাধীনতা ও দাস আযাদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু ও যায়িদ ইবন খালিদ জুহানী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জনৈকা দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়, যে যিনা করেছে; কিন্তু সে অবিবাহিতা। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যদি সে যিনা করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করবে। যদি সে আবার যিনা করে তবে আবার তাকে বেত্রাঘাত করবে। এরপরও যদি সে যিনা করে তবে তাকে বিক্রি করে দিবে, যদি তা সামান্য রশির বিনিময়েও হয়। বর্ণনাকারী ইবন শিহাব বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৃতীয়বার না চতুর্থবার যিনা করার পর তাকে বিক্রি করতে বলেছেন তা আমি জানি না।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবিবাহিত দাসীর যিনার শাস্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিলেন যে, দাসী যিনা করলে তাকে বেত্রাঘাত করবে। আর দাসীর বেত্রাঘাতের শাস্তি স্বাধীন নারীর শাস্তির অর্ধেক। সুতরাং দাসীর শাস্তি হবে পঞ্চাশ বেত্রাঘাত। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, “অতঃপর যখন তারা বিবাহিত হবে তখন যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তাহলে তাদের উপর স্বাধীন নারীর অর্ধেক আযাব হবে।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ২৫] অতপর সে যদি আবার যিনা করে তবে আবার তাকে পঞ্চাশ বেত্রাঘাত করবে। এতে হয়ত সে অশ্লীল কাজ থেকে বিরত হবে। এরপরও যদি সে তৃতীয়বার যিনা করে, শাস্তি তাকে দমন না করে এবং সে তাওবা না করে আর তুমি তার দ্বারা আরো অশ্লীলতার আশঙ্কা করো তাহলে তাকে শাস্তি দিয়ে বিক্রি করে দাও, যদি তা সামান্য রশির বিনিময়েও হয়। কেননা তাকে রেখে দেওয়াতে কোন কল্যাণ নেই এবং শীঘ্রই তার সংশোধন হওয়ার সম্ভাবনা নেই; বরং তাকে কাছে রাখার চেয়ে দূরে সরিয়ে রাখা উত্তম। যাতে তার (মালিকের) বসবাসকারী গৃহে সে অকল্যাণের কারণ না হয়।
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গণীমতের মাল ঘোড়ার জন্য দুই অংশ এবং পুরুষের জন্য এক অংশ বন্টন করেন”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গণীমতের মাল অশ্বারোহীর জন্য দুই অংশ এবং পায়ে হাঁটা ব্যক্তির জন্য এক অংশ নির্ধারণ করেছেন। কারণ, যুদ্ধে ঘোড়ার উপকাররিতা ও আক্রমণ ঘোড়া ছাড়া ব্যক্তির তুলনায় অনেক বেশি হয়ে থাকে। এ কথার প্রতি কুরআন ইঙ্গিত করেছেন। যেমন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “অতঃপর যারা প্রত্যুষে হানা দেয়, অতঃপর সে তা দ্বারা ধুলি উড়ায়, অতঃপর এর দ্বারা শত্রুদলের ভেতরে ঢুকে পড়ে;” [সূরা আল-আদীয়াত, আয়াত: ৩-৫] এতে ঘোড়ার প্রশংসা এবং যুদ্ধে তার উপকারিতার প্রতি ইশারা করা হয়েছে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামত অবধি ঘোড়ার কপালেই কল্যাণ নিহিত।”
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৈন্যদলে যাদের পাঠাতেন তাদের কতককে সাধারণ সৈন্যের অংশ ব্যতিত অতিরিক্ত বিশেষ গণীমত প্রদান করতেন।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৈন্যদলে যাদের পাঠাতেন তাদের কতককে সাধারণ সৈন্যের অংশ ব্যতিত অতিরিক্ত বিশেষ গণীমত প্রদান করতেন।অর্থাৎ যা গণীমত লাভ করেছে তা থেকে তাদের বিশেষভাবে প্রদান করতেন। যা অন্যান্যদের প্রদান করতেন না। এটি তাদের উৎসাহ প্রদান করা এবং জিহাদের ওপর উদ্বুদ্ধ করার জন্য করতেন।