





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সমান পরিমাণ ছাড়া তোমরা সোনার বদলে সোনা বিক্রি করবে না, একটি অপরটি হতে কম-বেশি করবে না। সমান ছাড়া তোমরা রূপার বদলে রূপা বিক্রি করবে না ও একটি অপরটি হতে কম-বেশি করবে না। আর নগদ মুদ্রার বিনিময়ে বাকী মুদ্রা বিক্রি করবে না। অপর শব্দে -তবে হাতে হাতে ছাড়া। অপর শব্দে বর্ণিত, ওজনের জিনিসকে ওজনের বিনিময়ে এবং একই জাতীয় বস্তুকে একই জাতীয় বস্তুর বিনিময়ে এবং বরাবর করে লেনদেন করবে।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন। - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।এ হাদীসটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সুদের দু’টি প্রকার অর্থাৎ অতিরিক্ত ও বাকী নিষেধ করেছেন। তিনি স্বর্ণকে স্বর্ণের বিপরীতে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। চায় তা বানানো হোক বা না হোক। তবে বৈধ যদি তা বরাবর হয়, ওজনে সমান হয় এবং আকদের মজলিসে গ্রহণ করা হয়। কারণ, যদি দু’টি বস্তুর একটি নগদ অপরটি বাকী বা অনুপুস্থিত হয় তবে তা বিক্রি করা হালাল হবে না। অনুরূপভাবে তিনি চাঁদিকে চাঁদির বিনিময়ে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। চায় তা বানানো হোক বা না হোক। তবে বৈধ যদি তা বরাবর হয়, ওজনে সমান হয় এবং আকদের মজলিসে গ্রহণ করা হয়। সুতরাং অপরটি থেকে একটিকে কম-বেশি করা সঠিক হবে না এবং গ্রহণ করার পূর্বে পৃথক হওয়া যাবে না।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত: একজন নারীকে তার ফুফু বা খালার সাথে জমা করা যাবে না।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।যাবতীয় কল্যাণ ও সংশোধন নিয়েই এ পবিত্র শরী‘আতের আগমন। আর যাবতীয় অকল্যাণ ও ক্ষতির বিরোধিতা করাই এর লক্ষ্য। এ কারণে শরী‘আত মহব্বত, ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের ওপর উৎসাহিত করেছে এবং দূরত্ব, বিচ্ছন্নতা ও শত্রুতা থেকে নিষেধ করেছেন। কখনো একাধিক স্ত্রী প্রয়োজন পড়ে বলে ইসলামী শরী‘আত একাধিক বিবাহের অনুমতি দিয়েছেন। তবে এক ব্যক্তির একাধিক থাকলে ঈর্ষান্বিত হয়ে তাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ তৈরি হয়। আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কায় একাধিক স্ত্রী যেন কতক আত্মীয়ের মাঝে না হয় -সে বিষয়ে শরী‘আত সতর্ক করেছেন। এ কারণে এক বোনের ওপর অপর বোনকে বিবাহ করতে এবং ফুফুকে ভাতিজীর ওপর ভাগিনীকে খালার ওপর বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ, তাদের একজনকে যদি পুরুষ ধরা হয় এবং অপর জনকে মহিলা তখন বংশীয়ভাবে তার ওপর তাকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ হয়। এ অবস্থায় তাদের মধ্যে একত্র করা বৈধ নয়। এ হাদীসটি আল্লাহ তা‘আলার ব্যাপক বাণী: “এদের ছাড়া বাকীদের তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে।”-কে সংকোচনকারী।
উম্মে হাবীবাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার একজন নিকট আত্মীয় মারা গেল। তখন তিনি হলুদ বর্ণের সাথে মিশ্রিত সুগন্ধি আনার জন্য ডেকে পাঠালেন। তারপর তিনি তার দুই বাহুতে তা মালিশ করলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি এটি এ জন্য করেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আল্লাহর প্রতি এবং আখিরাত দিবসের প্রতি বিশ্বাস করে এমন কোন মহিলার জন্য তার স্বামী ছাড়া কোনো মৃত ব্যক্তির ওপর তিন দিনের বেশি শোক পালন করা বৈধ নয়। তবে স্বামী হলে সে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।উম্মে হাবীবাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার পিতা মারা গেল। তিনি স্বামী ছাড়া অন্য কারোর জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান শুনেছেন। তাই তিনি বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে চাইলেন। তখন তিনি হলুদ বর্ণের সাথে মিশ্রিত সুগন্ধি আনার আহ্বান করলেন। তারপর তিনি তার দুই বাহুতে তা মালিশ করলেন। তারপর তিনি খুশবু লাগানোর কারণটি বর্ণনা করলেন, আর তা হলো, তিনি রাসূলুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর প্রতি এবং আখিরাত দিবসের প্রতি বিশ্বাস করে এমন কোন মহিলার জন্য তার স্বামী ছাড়া কোনো মৃত ব্যক্তির ওপর তিন দিনের বেশি শোক পালন করা বৈধ নয়। তবে স্বামী হলে সে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “কোনো প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে খুঁটি পুঁততে নিষেধ করবে না। তারপর আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, কী হল, আমি তোমাদেরকে এ হাদীস থেকে উদাসীন দেখছি? আল্লাহর কসম, আমি সব সময় তোমাদেরকে এ হাদীস দ্বারা তোমাদের দুই কাঁধের মাঝে আঘাত করতে থাকব।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।একজন প্রতিবেশীর জন্য অপর প্রতিবেশীর ওপর অসংখ্য অধিকার রয়েছে যা রক্ষা করা ওয়াজিব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিবেশীর সাথে ভালো ব্যবহার করতে উৎসাহ প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, জিবরীল আলাইহিস সালাম সব সময় তাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে ওসীয়ত করতেন। এমনকি তিনি ধারণা করেন যে, প্রতিবেশীর বড় হক ও তার কল্যাণ কামনা করা ওয়াজিব হওয়ার কারণে জিবরীল তাকে তার উত্তরসূরী বানিয়ে দেবে। এ কারণেই তাদের পরস্পরের মধ্যে ওয়াজিব হলো সুন্দর ব্যবহার করা, একে অপরের অধিকার সংরক্ষণ করা, উত্তম আখলাক প্রদর্শন করা এবং কথা ও কর্মে কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা। আর প্রতিবেশীর সাথে ভালো ব্যবহার হলো, তার অধিকার সংরক্ষণ করা। যেমন, তাদের কেউ কারো জন্য তার এমন লাভ ছেড়ে দিবে, যে লাভ ছাড়াতে প্রতিবেশীর উপকার হবে তবে তার বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হবে না। এ ধরনের একটি উপকার যেমন, একজন প্রতিবেশী তার নিজের প্রয়োজনে তার অপর প্রতিবেশীর দেয়ালে খুঁটি পুঁততে চাইলো এবং তাতে দেয়ালের মালিকের কোনো ক্ষতি নেই। তখন দেয়ালের মালিকের ওপর ওয়াজিব হলো সে তার প্রতিবেশীকে খুঁটি পুঁততে অনুমতি দেবে। কারণ, তাতে তার কোনো ক্ষতি নেই বরং তার প্রতিবেশীর উপকার রয়েছে। যদি সে অনুমতি না দেয়, তবে শাসক তাকে অনুমতি প্রদানে বাধ্য করবে। আর যদি ক্ষতি হয় অথবা কোনো প্রয়োজন না থাকে তখন এক ক্ষতি সমপরিমাণ ক্ষতি দ্বারা দূরীভুত হয় না। তখন মূলনীতি হলো একজন মুসলিম তার অধিকারে অপরকে বাঁধা দেবে এটাই স্বাভাবিক। তখন তার ওপর অনুমতি দেওয়া ওয়াজিব নয়। এ কারণেই আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু যখন এ গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত থেকে মহান শরী‘আত প্রণেতার উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত হন, এর ওপর আমল করাতে তাদের উদাসীনতা অপছন্দ করেন। আর তিনি তাদের হুশিয়ারী করেন, এ সুন্নাতের বাস্তবায়ন তাদের ওপর বাধ্যতামুলক। কারণ, অবশ্যই প্রতিবেশীর কিছু হক রয়েছে যেগুলো আল্লাহ ফরয করেছেন যার সংরক্ষণ করা ও তা বাস্তবায়ন করা ওয়াজিব। আর আলেমগণ এ ব্যাপারে একমত যে, প্রতিবেশীর দেয়ালে খুটি পুঁতা তার ক্ষতি করে তার অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইসলামে ক্ষতি করা বা ক্ষতি বহন করা কোনোটাই নেই।
আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াজীদ আল-খাতমী বলেন: আমাকে আল-বারা বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মিথ্যাবাদী নন। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলার পর যতক্ষণ পর্যন্ত সিজদা্য় না যেতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কেউ পিঠ বাঁকা করতেন না। তিনি সিজদা্য় যাওয়ার পর আমরা সিজদা্য় যেতাম।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমআল-বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু — যিনি একজন সত্যবাদী — বর্ণনা করেন, নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে বলতেন: سمع الله لمن حمده (আল্লাহ তার কথা শোনেন, যে তাঁর প্রশংসা করে), তখন তাঁর পেছনের লোকেরা সবাই দাঁড়িয়ে থাকতেন, আর কেউই সেজদার জন্য পিঠ বাঁকাতেন না যতক্ষণ না তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তাঁর কপাল মাটিতে রাখতেন। এরপর সবাই তাঁর পরে সেজদায় যেতেন।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, যখন কোনো ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিজের অসুস্থতার অভিযোগ করত অথবা (তার দেহে) কোনো ফোঁড়া কিংবা ক্ষত হত, তখন নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ আঙ্গুল নিয়ে এরূপ বলতেন, হাদীসের বর্ণনাকারী সুফইয়ান ইবনে ‘উয়াইনাহ তাঁর শাহাদত আঙ্গুলটিকে যমীনের উপর রাখলেন ও উঠালেন। অতঃপর বললেন, (যার বাংলা অর্থ) “আল্লাহর নামের সঙ্গে আমাদের যমীনের মাটি এবং আমাদের কিছু লোকের থুতু মিশ্রিত করে (ফোঁড়াতে) লাগালাম। আমাদের রবের আদেশে তার দ্বারা আমাদের রুগীকে সুস্থতা দেওয়া হবে।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হলে বা আঘাত পেলে বা কোনো কিছু হলে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার থুতু তর্জনীতে নিয়ে মাটির উপর রাখতেন, ফলে কিছু মাটি তার সাথে লাগত, তারপর সেটা দিয়ে জখমের স্থানে বা আক্রান্ত জায়গায় মাসেহ করতেন এবং বলতেন, (বাংলা অর্থ) “আল্লাহর নামের সঙ্গে আমাদের যমীনের মাটি এবং আমাদের কিছু লোকের থুতু মিশ্রিত করে লাগালাম। আমাদের রবের আদেশে এর দ্বারা আমাদের রুগীকে সুস্থতা দান করা হবে।”
আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সুন্নাত হলো যখন বয়স্ক স্ত্রীরের ওপর কুমারীকে বিবাহ করবে তার নিকট সাত থাকবে তারপর বন্টন করবে। আর যদি বয়স্ক বিবাহ করে তবে তার নিকট তিন দিন থাকবে তারপর বন্টন করবে। আবূ কালাবাহ বলেন, আমি যদি চাইতাম তবে বলতাম যে, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এটি রাসূল থেকে বর্ণনা করেছেন।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।সুন্নাত হলো যখন কুমারীকে বিবাহিতার ওপর বিবাহ করে তখন তার নিকট সাত দিন রাত যাপন করবে। তাকে সঙ্গ মহব্বত করবে এবং তার ভীতি ও লজ্জা দূর করবে। কারণ, সে নব বিবাহিতা। তারপর তার সব স্ত্রীর মধ্যে সমতা বজায় রাখবে। আর যখন বিবাহিতা নারীকে বিবাহ করে তখন তার নিকট তিনদিন অবস্থান করবে। কারণ, এ নারী এ সবের প্রতি প্রথম নারীর তুলনায় কম মুহতাজ। এ মুল্যবান বিধানটি এ হাদীসটিতে এসেছে মারফূ‘ হিসেবে। কারণ, বর্ণনাকারী যখন সুন্নাহ বলে তখন তারা এ দ্বারা রাসূলের সুনাহই উদ্দেশ্য নেয়। আর মারফূ‘ হওয়া আর হাদীসে মারফূ‘ অর্থ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সম্পৃক্ত করা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযাহ’র মেয়ে সম্পর্কে বলেছেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা বংশ কারণে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয়, আর সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।আলী ইবন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু চাইলেন যে, তাদের চাচা হামযার মেয়েকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিয়ে করুক। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জানালেন, সে তাঁর জন্য হালাল নয়। কারণ, তিনি ও তাঁর চাচা হামযাহ আবু লাহাবের বাদী সুওয়াইবার দুধ পান করেছেন। ফলে হামযাহ তার দুধ ভাই। অতএব, তিনি হামযার মেয়ের চাচা হয়ে গেলেন। আর বংশ কারণে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয়।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোম ও বৃহস্পতিবারে সিয়াম রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন।’
এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।উম্মুল মু‘মিন আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সংবাদ দেন, তিনি সোম ও বৃহস্পতিবারে সিয়াম রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন।’ কারণ, এ দুই দিনে আমলসমূহ আল্লাহর কাছে তুলে ধরা হয়। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পছন্দ করেন যে, তার আমলকে সিয়াম রাখা অবস্থায় তুলে ধরা হোক। এ ছাড়াও আল্লাহ তা‘আলা এ দুনি দিনে পরস্পর বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া প্রতিটি মুসলিমকে ক্ষমা করে দেন। যেমনটি অন্যান্য হাদীসসমূহে এর বর্ণনা এসেছে।