





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
’উমার ইবনু আবূ সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ছোট বেলায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তত্ত্বাবধানে ছিলাম। খাবার বাসনে আমার হাত ছুটাছুটি করত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “হে বৎস! বিসমিল্লাহ বলো এবং ডান হাতে আহার কর আর তোমার কাছে থেকে খাও”। এরপর থেকে সেটাই আমার খাদ্য গ্রহণ করার স্থায়ী অভ্যাস ছিল।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মু সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার ছেলে ‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সংবাদ দিচ্ছেন,—সে সময় তিনি তাঁর লালন-পালন ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন— খাওয়ার সময় খাবার তোলার জন্য তার হাত বাসনের এপাশে-ওপাশে নিয়ে যেতেন, তাই নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে আহার করার শিষ্টাচারসমূহ হতে তিনটি শিষ্টাচার (আদব) শিখালেন: প্রথমটি হলো: খাওয়ার শুরুতে “বিসমিল্লাহ” বলা। দ্বিতীয়টি হলো: ডান হতে খাওয়া। তৃতীয়টি হলো: যে পাশের খাবার তাঁর নিকটে সে পাশ থেকে খাওয়া।
ইবনু ‘উমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ খায়, তখন সে যেন ডান হাতে খায় আর যখন পান করে সে যেন ডান হাতে পান করে। কারণ, শয়তান বাম হাতে খায় ও বাম হাতে পান করে”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমকে তাঁর ডান হাতে খেতে ও পান করতে আদেশ করেন, এবং বাম হাতে খেতে ও পান করতে নিষেধ করেন। কারণ, শয়তান বাম হাতে খায় ও পান করে।
আল-আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এমন কিছু আমাকে শিখিয়ে দিন, যা আল্লাহ তা’আলার নিকট আমি প্রার্থনা করতে পারি। তিনি বললেনঃ “আল্লাহ তা’আলার নিকট আপনি শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করুন”। কিছু দিন যাওয়ার পর আবার গিয়ে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এমন কিছু আমাকে শিখিয়ে দিন যা আমি আল্লাহ তা’আলার কাছে প্রার্থনা করতে পারি। তিনি আমাকে বললেনঃ “হে আব্বাস, হে আল্লাহর রাসূলের চাচা! আল্লাহ তা’আলার নিকট আপনি পৃথিবী ও আখিরাতের শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করুন”।
এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা আব্বাস ইবন আব্দুল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিতে বললেন যা তিনি আল্লাহ্র কাছে প্রার্থনা করবেন। তাই তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দ্বীন, দুনিয়া এবং আখেরাতে ত্রুটি ও মুসিবত থেকে নিরাপত্তা প্রার্থনা করতে শিখালেন। আব্বাস বলেন, কিছু দিন পর আমি তার কাছে ফিরে এসে তাকে আবারও আমাকে একটি দোয়া শেখাতে বলি যা আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করব। তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে মুহাব্বত করে বললেন: হে আব্বাস, হে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা, দুনিয়া ও আখেরাতে সমস্ত কল্যাণ ও উপকার হাসিল এবং সকল অনিষ্ট দূর করার জন্য আল্লাহর নিকট নিরাপত্তা তলব করুন।
আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, তারা একদা হুযাইফা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কাছে ছিলেন, তখন হুযাইফা পানি চাইলে একজন অগ্নিপূজক তাকে পানি দিল, যখন সে তার পাত্রটি হুযাইফার হাতে দিলেন, তখন তিনি তা ছুড়ে ফেলে দিলেন, আর বললেন: যদি আমি তাকে একবার বা দুইবারেরও বেশী এ ব্যাপারে নিষেধ না করতাম, -যেমন তিনি বলছিলেন-: তাহলে আমি একাজ করতাম না। কিন্তু আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “তোমরা হালকা ও মোটা রেশমী কাপড় পরিধান করবে না, আর তোমরা সোনা বা রোপার পাত্রে পানও করবে না, এটা দ্বারা নির্মিত থালা-বাসনে কিছু খাবেও না; কেননা এটা দুনিয়াতে তাদের জন্য আর আমাদের জন্য এটি থাকবে আখিরাতে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদেরকে সব ধরণের রেশমী পোষাক পরিধান করা থেকে নিষেধ করেছেন। আর নারী-পুরুষ উভয়কেই সোনা বা রোপার পান-পাত্র অথবা থালা-বাসনে খাবার খেতে অথবা পান করতে নিষেধ করেছেন। এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে, এটা কিয়ামাতের দিনে মুমিনদের জন্য খাস; কেননা তারা দুনিয়াতে আল্লাহর আনুগত্যের কারণে তা থেকে দূরে থেকেছে। অপরপক্ষে আখিরাতে কাফিরদের জন্য এটির অনুমতি থাকবে না; কেননা তারা দুনিয়াতে তাদের জীবদ্দশায় তা আগেই ব্যবহার করেছিল এবং আল্লাহর আদেশের লঙ্ঘন করেছিল।
উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে লোক দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেন, পুরুষদের যে দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, তাওবা না করলে আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না, তার শাস্তি স্বরূপ।
আবু সা‘ঈদ আল-খুদরী রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, মু‘আবিয়া (রদিয়াল্লাহু আনহু একবার ) মসজিদের একটি হালাকার কাছে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন: কোন কিসে তোমাদেরকে বসালো? তারা জবাব দিলেন: আমরা আল্লাহর যিকরের জন্য বসেছি। তখন তিনি বললেন: এটা ব্যতীত অন্য কোন কিছুই তোমাদেরকে এখানে বসায়নি? তারা বললেন: আল্লাহর কসম! অন্য কোন বিষয় আমাদেরকে বসায়নি। তিনি বললেন: আমি তোমাদেরকে কোন অপবাদ দেওয়ার জন্য কসম করাইনি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আমার ন্যায় অবস্থান থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে কেউই আমার থেকে কম হাদীস বর্ণনা করেনি: রাসূলুল্লাহ একবার তাঁর সাহাবীদের একটি হালাকার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: “কিসে তোমাদেরকে উপবেশন করিয়েছে?” তারা জবাব দিয়েছিলেন: আমরা আল্লাহর যিকির করব ও তিনি আমাদেরকে ইসলামের পথ দেখিয়েছেন এবং আমাদেরকে এর মাধ্যমে নি‘আমাত প্রদান করেছেন এ কারণে তাঁর প্রশংসা করার জন্য বসেছি। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন: “এটা ব্যতীত অন্য কোন কিছুই তোমাদেরকে এখানে উপবেশন করায়নি?” তারা বলেছিলেন: আল্লাহর কসম! অন্য কোন বিষয় আমাদেরকে উপবেশন করায়নি। তিনি বলেছিলেন: “আমি তোমাদেরকে কোন অপবাদ দেওয়ার জন্য কসম করাইনি। বরং আমার নিকটে জিবরীল এসে জানিয়ে গেলেন যে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতাদের কাছে তোমাদের ব্যাপারে গর্ব করছেন।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমু‘আবিয় ইবনু আবী সুফিয়ান রদিয়াল্লাহু আনহুমা মসজিদের একটি হালাকার কাছে এসে উপস্থিত লোকদেরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, তারা কোন কারণে সেখানে একত্রিত হয়েছে। তখন তারা জবাব দিলেন: আমরা আল্লাহর যিকির করব (এ জন্য)। তখন মু‘আবিয়া রদিয়াল্লাহু আনহু তাদেরকে কসম করতে বললেন এ মর্মে যে, তাদের একত্রিত হওয়ার কারণ কি শুধুমাত্র এটাই ছিল। তখন তারা তার কাছে কসম করলেন। তারপরে তিনি তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন: নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে কোন অপবাদের কারণে অথবা তোমাদের সত্যতার ব্যাপারে সন্দেহ করার কারণে তোমাদেরকে কসম করতে বলিনি। তারপরে তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তার অবস্থান এবং কেউ যে তার থেকে রাসূলের নিকটবর্তী ছিলেন না এ ব্যাপারে সংবাদ দিলেন; (তার নৈকট্যের) কারণ হচ্ছে- তার বোন উম্মু হাবীবাহ আল্লাহর রাসূলের স্ত্রী ছিলেন এবং তিনি নিজেও অহী লেখকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। কিন্তু এর পরেও তিনি খুব কম হাদীসই বর্ণনা করেছেন। তারপরে তিনি হাদীস বর্ণনা করলেন যে, একবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বাড়ী থেকে বের হয়ে সাহাবীদেরকে মসজিদে বসা অবস্থায় দেখতে পেলেন, তারা আল্লাহর যিকর করছিলেন এবং তিনি তাদেরকে ইসলামের দিশা দেওয়া এবং এর মাধ্যমে নি‘আমাত প্রদান করার কারণে তাঁর প্রশংসা করছিলেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং তাদেরকে কসম করিয়েছিলেন, ঠিক যেভাবে মু‘আবিয়া রদিয়াল্লাহু আনহু তার সাথীদেরকে কসম করালেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে প্রশ্ন করা এবং কসম করানোর কারণ বর্ণনা করে বললেন যে: ফেরেশতা জিবরীল আলাইহিস সালাম এসে জানিয়েছেন, আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের ব্যাপারে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করছেন, তাদের কাছে তোমাদের ফযীলত পেশ করছেন, তোমাদের ভালো আমল তাদেরকে দেখাচ্ছেন এবং তাদের কাছে তোমাদের প্রশংসা করছেন।
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহ ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল আমাদের কারো ওপর যখন গোসল ফরয হয় সে ঘুমাতে পারে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যখন তোমাদের কেউ ওযূ করবে তখন সে ঘুমাবে”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন যে, যখন রাতের প্রথমাংশে কেউ অপবিত্র হয়, যেমন স্ত্রীর সাথে সহবাস করল যদিও বীর্যপাত হয়নি অথবা স্বপ্নদোষ হলো সে কি নাপাক অবস্থায় ঘুমাতে পারবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শর‘ঈ ওযূ করে এ নাপাকীকে হালকা করার শর্তে তাকে ঘুমানের অনুমতি দিলেন। তখন নাপাক হওয়া সত্বেও ঘুমানোতে কোন অসুবিধা নেই।
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “মানুষ যখন নিজ বাড়িতে প্রবেশ করার সময় এবং খাবার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করে (‘বিসমিল্লাহ’ বলে), তখন শয়তান (তার সঙ্গীদেরকে) বলে: ’তোমাদের জন্য রাত্রিযাপনের স্থানও নেই এবং রাতের খাবারও নেই।’ যখন সে বাড়ি প্রবেশ করার সময় আল্লাহর নাম না নেয় , তখন শয়তান বলে: ’তোমরা রাতের খাবার পেলে।’ আর যখন সে খাবার সময়েও আল্লাহর নাম না নেয়, তখন শয়তান বলে: ’তোমরা রাত্রিযাপনের জায়গাও পেলে এবং খাবারও পেলে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাড়িতে প্রবেশ এবং খাবার খাওয়ার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করতে (‘বিসমিল্লাহ’ বলতে) আদেশ করেছেন। যখন কেউ নিজ বাড়িতে প্রবেশের সময় এবং খাবার শুরু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে, তখন শয়তান তার সঙ্গীদেরকে বলে: ’তোমাদের জন্য এ বাড়িতে রাত্রিযাপনের স্থানও নেই এবং রাতের খাবারও নেই।’ এ বাড়িতে এর মালিক আল্লাহর নাম স্মরণ করে বাড়িটি সুরক্ষিত করেছে। অন্যদিকে যখন সে ব্যক্তি বাড়ি প্রবেশ করার সময় এবং খাবার গ্রহণের সময় আল্লাহর নাম না নেয় , তখন শয়তান তার সঙ্গীদেরকে সংবাদ দিয়ে বলে: ’তারা এ বাড়িতে রাত্রিযাপনের জায়গাও পেলে এবং রাতের খাবারও পেলে।’
আবূ বাকার সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত করেন, তিনি বলেছেন, “তোমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবারবর্গের মাধ্যমে তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন কর।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।আবূ বাকার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আসারে (হাদীস) এ কথা প্রমান করে যে, সাহাবীগণ রাসূলের পরিবারের ইজ্জত, সম্মান ও তাদের অধিকার সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ছিলেন। আহলে বাইত থেকে যে ব্যক্তি দীনের ওপর অবিচল থাকবে এবং রাসূলের সুন্নাতের অনুসারী হবে তার জন্য দুটি অধিকার রয়েছে। ইসলামের হক এবং রাসূলের আত্মীয় হওয়ার হক। এতে আরও প্রমান হয় যে, আবূ বাকার ও সাহাবীগণ আহলে বাইতকে মহব্বত করতেন এবং তাদের বিষয়ে ভালো অসিয়ত করতেন।