





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
ইমরান ইবনে হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “লজ্জা মঙ্গলই বয়ে আনে।” অন্য বর্ণনায় আছে, “লজ্জার সবটুকু মঙ্গলই মঙ্গল।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন। - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।লজ্জা হলো মানুষের আত্মার একটি গুণ যা মানুষকে সুন্দর ও রুচীশীল কাজ করা এবং অশ্লীল ও ঘৃণিত কাজ ছাড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে। ফলে সে ভালো কর্ম ছাড়া আর কোন কর্ম করে না।
আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সৎ সঙ্গী ও অসৎ সঙ্গীর উদাহরণ হল, কস্তুরী বহনকারী (আতরওয়ালা) ও হাপরে ফু দানকারী (কামারের) ন্যায়। কস্তুরী বহনকারী (আতরওয়ালা) হয়তো তোমাকে কিছু দান করবে অথবা তার কাছ থেকে তুমি কিছু খরিদ করবে অথবা তার কাছ থেকে সুবাস লাভ করবে। আর হাপরে ফুঁ দানকারী (কামার) হয়ত তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে অথবা তুমি তার কাছ থেকে দুর্গন্ধ পাবে।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই শ্রেণির লোকের একটি উদাহরণ উপস্থাপন করেছেন: প্রথম প্রকার: উত্তম বন্ধু ও সহচর, যে আল্লাহ এবং তাঁর সন্তুষ্টির পথ দেখায় এবং আনুগত্যের কাজে সাহায্য করে। সে একজন কস্তুরী বিক্রেতার মত, হয় সে আপনাকে তার থেকে কিছুটা দেবে অথবা আপনি তার কাছ থেকে কিনবেন অথবা আপনি তার কাছ থেকে একটি সুন্দর ঘ্রাণ পাবেন। দ্বিতীয় প্রকার: খারাপ বন্ধু এবং সহচর। যে মানুষকে আল্লাহর পথে বাধা দেয় এবং পাপ কাজে সাহায্য করে। আপনি তার কাছ থেকে কুৎসিত কাজ দেখতে পাবেন এবং আপনি তার মত কাউকে সঙ্গ দেওয়া এবং তার সাথে বসার জন্য নিন্দিত হবেন। সে একজন কামারের মত যে তার আগুনে ফুঁক দেয়। হয় সে তার উড়ন্ত স্ফুলিঙ্গ থেকে আপনার জামা-কাপড় পুড়িয়ে দেবে, অথবা আপনি তার কাছ থেকে খারাপ গন্ধ পাবেন।
আনাস রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দু’আ অধিক পাঠ করতেনঃ«يَا مُقَلِّبَ القُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ» “হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দীনের উপর প্রতিষ্ঠিত (দৃঢ়) রাখো। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। আমরা ঈমান এনেছি আপনার উপর এবং আপনি যা নিয়ে এসেছেন তার উপর। আপনি আমাদের ব্যাপারে কি কোনরকম আশংকা করেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কেননা, আল্লাহ তা’আলার আঙ্গুলসমূহের মধ্যকার দুটি আঙ্গুলের মাঝে সমস্ত অন্তরই অবস্থিত। তিনি যেভাবে ইচ্ছা তা পরিবর্তন করেন”।
এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মহানবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অধিকাংশ দোয়াই ছিল আল্লাহর কাছে দ্বীন ও আনুগত্যের প্রতি অবিচল থাকা এবং পথভ্রষ্টতা ও গোমরাহী থেকে দূরে থাকার প্রার্থনার ওপর। আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়াটি প্রায়শই করতেন, তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, হৃদয়গুলো হল আল্লাহর দুই আঙ্গুলের মাঝখানে এবং তিনি সেগুলিকে তার ইচ্ছা মত ঘুরিয়ে দেন। কালব (অন্তর) হল ঈমান ও কুফরের স্থান। আর ঘনঘন পরিবর্তন হওয়ার কারণে কালবকে (হৃদয়কে) কালব (হৃদয়) বলা হয়। এটা পাত্রের চেয়েও বেশি উৎরানশীল। যাকে আল্লাহ ইচ্ছা করেন তার অন্তরকে হেদায়েতের উপর প্রতিষ্ঠিত করেন এবং দ্বীনের উপর অটল রাখেন এবং যাকে আল্লাহ ইচ্ছা করেন তার অন্তরকে হেদায়েত থেকে বিচ্যুতি ও গোমরাহীর দিকে ফিরিয়ে দেন।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত: মহান আল্লাহ বলেন, “যখন আমি আমার বান্দার পছন্দনীয় পার্থিব জিনিসকে কেড়ে নিই, অতঃপর সে (তাতে) সাওয়াবের আশা রাখে, তখন তার জন্য আমার নিকট জান্নাত ছাড়া অন্য কোন বিনিময় নেই”।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।এ হাদীসে কুদসীতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিচ্ছেন যে ব্যক্তি নিজের কোন প্রিয় আত্মীয় ইত্যাদি হারানোর বিপদে আক্রান্ত হন, তারপর লোকটি তার পছন্দনীয় ব্যক্তি যেমন তার নিকট আত্মীয় বা সন্তান বা ভাই বা চাচা বা পিতা-মাতা বা বন্ধু ইত্যাদি হারানোর ওপর ধৈর্য ধারণ করে, অতঃপর সে সাওয়াবের আশা করে, তার জন্য জান্নাত ছাড়া আর কোন বিনিময় থাকবে না।
জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা নিজেদের ওপর, নিজেদের সন্তান-সন্ততির ওপর, নিজেদের ধন-সম্পদের ওপর বদ-দো‘আ করো না। কেননা হতে পারে তোমরা আল্লাহর এমন একটি সময় কোনো কিছু চাইলে, যখন কিছু প্রার্থনা করা হলে তিনি তোমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে দিবেন।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীসটিতে সতর্ক করেছেন এবং ধন-সম্পদ ও সন্তানদের ওপর বদ-দো‘আ করতে নিষেধ করেছেন। কারণ, দো‘আর বিষয়টি বড়ই গুরুত্ববহ। কখনো আল্লাহ সেটা তার বান্দাদের ওপর বাস্তবায়ন ঘটান। যদি সেটা দো‘আ কবুলের সময় হয়, তখন তার ক্ষতি দো‘আকারী ব্যক্তির ওপর এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট ধন-সম্পদ ও সন্তানের ওপর সংঘটিত হয়ে যাবে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের প্রত্যেকের দো‘আ গৃহীত হয়; যাবৎ না সে তাড়াহুড়ো করে। যেমন, সে বলে, ‘আমি আমার রবের নিকট দো‘আ করেছি, কিন্তু তিনি আমার দো‘আ কবুল করেন নি।” মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, “বান্দার দো‘আ ততক্ষণ পর্যন্ত কবূল করা হয়, যতক্ষণ সে গুনাহের জন্য বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য দো‘আ না করে, আর যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়ো করে।” জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসূল! তাড়াহুড়ো মানে কী?’ তিনি বললেন, “দো‘আকারী বলে, ‘দো‘আ করলাম, আবার দো‘আ করলাম, অথচ দেখলাম না যে, তিনি আমার দো‘আ কবুল করছেন।’ কাজেই সে তখন আফসোস করে এবং দো‘আ করা ত্যাগ করে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানিয়ে দিচ্ছেন যে, যতক্ষণ না বান্দা পাপের দো‘আ, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও তাড়াহুড়া না করে, বান্দার দো‘আ কবুল করা হয়। জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসূল! তাড়াহুড়ো কী যে কারণে দো‘আ কবুল হয় না?’ তিনি বললেন, “দো‘আকারী বলে, ‘দো‘আ করলাম, দো‘আ করলাম, আমার পক্ষ থেকে বার বার দো‘আ প্রকাশ পেয়েছে, কিন্তু আমার দো‘আ কবুল করা হলো না।’ তখন সে তাড়াহুড়া করে আর দো‘আ করা ছেড়ে দেয়।”
আবূ উমামাহ্ বলেন, আমর ইবনু আবাসাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তিনি বলতে শুনেছেন: “আল্লাহ তা’আলা শেষ রাতে তার বান্দার সবচেয়ে নিকটবর্তী হন। অতএব যারা এ সময় আল্লাহর যিকর করে (নামায পড়ে ও দু’আ করে), তুমি পারলে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও”।
এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বলেন: মহাপবিত্র রব রাতের শেষ তৃতীয়াংশে বান্দার সবচেয়ে নিকটবর্তী হন। হে মুমিন, এই সময়ে যারা সালাত আদায় করেন, ইবাদত আঞ্জাম দেন, তাওবা করেন এবং জিকির করেন, যদি আপনি তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত হতে তাওফিকপ্রাপ্ত এবং সক্ষম হন, তাহলে এটি এমন একটি বিষয় যা আপনার অর্জন করা এবং তাতে চেষ্টা করা জরুরি।
আবদুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আল্লাহর নবী -সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, আমি হিজরত ও জিহাদের ওপর আপনার হাতে বাই‘আত করলাম, যার দ্বারা আমি মহান আল্লাহর কাছে সাওয়াবের আশা করি। তিনি বললেন, ‘তোমার পিতা-মাতা কেউ জীবিত আছেন কি’? লোকটি বলল, হ্যাঁ, বরং উভয়েই জীবিত। বলল, তুমি আল্লাহর কাছ থেকে সাওয়াব পেতে চাও? বলল, হ্যাঁ, তাহলে তুমি তোমার মাতা-পিতার নিকট ফিরে যাও এবং তাদের সাথে উত্তম সাহচর্য অবলম্বন কর। বুখারী ও মুসলিমের অপর এক বর্ণনায় এসেছে, এক ব্যক্তি এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইল। তখন তিনি বললেন, তোমার পিতা-মাতা জীবিত আছেন কি? সে বলল, হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তবে তুমি তাঁদের খেদমতে জিহাদ কর’।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ ও হিজরত করার আগ্রহ ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। লোকটি বাড়িতে তার মাতা-পিতা উভয়কে রেখে এসেছে। আবূ দাউদের বর্ণনায় এসেছে, “তারা দুইজন ক্রন্দন করছিলেন” সন্তানের ধ্বংস হওয়ার আশংকায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার মাতা-পিতার মধ্য থেকে কেউ জীবিত আছেন কি?” সে বলল, হ্যাঁ। উভয়েই জীবিত। তিনি বললেন, তুমি কি আল্লাহর কাছে পুরস্কার চাও? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তুমি তোমার মাতা-পিতার নিকট ফিরে যাও এবং তাদের উভয়ের সাথে উত্তম সাহচর্য অবলম্বন কর। আবূ দাউদের বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেছেন, “তাদের নিকট ফিরে যাও যেভাবে তুমি তাদের কাঁদিয়েছ সেভাবে তুমি তাদের মুখে হাসি ফোটাও।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য যা করা উত্তম ও জরুরী তা করার জন্যই তাকে ফেরত পাঠালেন। আর তা হলো স্বীয় মাতা-পিতার নিকট ফিরে যাওয়া তাদের খিদমতের জন্য। কারণ, মাতা-পিতাকে সন্তুষ্ট করা, তাদের আনুগত্য করা এবং তাদের খিদমতে নিয়োজিত থাকা আত্মার জিহাদ। যেমনটি সহীহ বুখারি ও সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় আরও স্পষ্ট করা হয়েছে: “তুমি তাদের খিদমতে জিহাদ কর।” অপর একটি হাদীসে এ কথা স্পষ্ট করা হয়েছে যে, মাতা-পিতার সাথে ভালো ব্যবহার করা, তাদের আনুগত্য করা এবং তাদের প্রতি দয়া করা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা থেকে উত্তম। যেমন, আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত একটি বর্ণনায় এসেছে, এক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে সর্বোত্তম আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে, উত্তরে তিনি বললেন, “সালাত” লোকটি বলল, তারপর কোনটি? রাসূল বললেন, “জিহাদ”। লোকটি বলল, আমার মাতা-পিতা উভয়েই জীবিত। বললেন, তাহলে “তোমার জন্য মাতা-পিতার সাথে ভালো ব্যবহার করাই (জিহাদের চেয়ে) উত্তম কাজ হবে।” বর্ণনায় ইবন হিব্বান। এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মাতা-পিতার খিদমত করা জিহাদ অপেক্ষা উত্তম। তবে জিহাদ যদি ফরযে আইন হয়, তখন জিহাদ করাকেই মাতা-পিতার খিদমতের ওপর প্রাধান্য দিতে হবে। কারণ তখন তা-ই সুনির্দিষ্ট হয়ে যাবে।
ছাওবান রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “সর্বোত্তম দীনার (টাকা-পয়সা) যা ব্যক্তি খরচ করে: এমন দীনার যা সে তার পরিবার-পরিজনের ওপর খরচ করে এবং এমন দীনার যা সে আল্লাহর পথে (অর্থাৎ জিহাদের উদ্দেশে) তার বাহনের জন্য খরচ করে এবং এমন দীনার যা সে আল্লাহর পথে তার সঙ্গীসাথীদের ওপর খরচ করে। আবূ কিলাবাহ বলেন, তিনি পরিবারের লোকজন দিয়ে শুরু করেছেন। অতঃপর আবূ কিলাবাহ বলেন, ঐ ব্যক্তির চেয়ে আর কে বেশী সাওয়াবের অধিকারী যে তার ছোট সন্তানদের জন্য খরচ করে এবং আল্লাহ তা'আলা এর বিনিময়ে তাদেরকে পবিত্র রাখেন, উপকৃত করেন এবং অভাব মুক্ত রাখেন।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আ্লাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যয়ের অনেকগুলো ধরন ব্যাখ্যা করেছেন: যখন ব্যয়ের অনেকগুলি খাত সামনে আসে, তখন তাকে সবচেয়ে আবশ্যক কাজটির ভিত্তিতে বিন্যস্ত করেছেন, যাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি দিয়ে শুরু করা যায় এবং এরপরে যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সেটি করা যায়। তিনি সংবাদ দিয়েছেন যে, সম্পদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী সওয়াব হচ্ছে সেই অর্থের মধ্যে, যা কোন মুসলিম ব্যক্তি তার উপরে দায়িত্বভার অর্পিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে খরচ করে; যেমন স্ত্রী ও সন্তান। এরপরে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করার ক্ষেত্রে বাহন প্রস্তুত করতে যা ব্যয় করা হয়। এরপরে তার প্রিয়মানুষ ও সহচরদের মধ্যে যারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে যা ব্যয় করা হয়।