





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া ছিল এরূপ: “আমি হাযির হে আল্লাহ! আমি হাযির, আমি হাযির; আপনার কোনো অংশীদার নেই, আমি হাযির। নিশ্চয় সকল প্রশংসা ও সকল নেয়ামত আপনার এবং কর্তৃত্ব আপনারই, আপনার কোনো অংশীদার নেই”। বর্ণনাকারী বলেন, আবদুল্লাহ বিন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সেখানে বৃদ্ধি করেন “হে রব! আমি উপস্থিত, আমি উপস্থিত এবং সৌভাগ্য ও করুণা আপনার হাতেই এবং আশা-আকাঙ্খা আপনাতেই। আমাদের কাজের প্রতিদানও আপনার অনুগ্রহের ওপর নির্ভরশীল।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হজ্জ বা ওমরার আনুষ্ঠানিকতায় প্রবেশ করতে চাইতেন, তখন তাঁর তালবিয়া ছিল: (আমি হাযির, হে আল্লাহ আমি হাযির) আপনি আমাদের যে ইখলাস, তাওহীদ, হজ্জ এবং অন্যান্য বিষয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তার জন্য আমি হাযির, অবশ্যই আমি হাযির। (আমি হাযির, আপনার কোন অংশীদার নেই, আমি হাযির) আপনি একাই উপাসনার যোগ্য, আপনার রুবুবিয়্যাহ, উলুহিয়্যাহ এবং আপনার নাম ও সিফাতসমূহে কোন অংশীদার নেই। (নিশ্চয় প্রশংসা) এবং শোকর ও কৃতজ্ঞতা (এবং নিয়ামত) আপনার পক্ষ থেকে এবং আপনিই তার দাতা। সর্বাবস্থায় সেগুলো (আপনার জন্য), অনুরূপভাবে (রাজত্বও) আপনার জন্য, (আপনার কোন অংশীদার নেই) তাই সবকিছু আপনার একার। ইবনু ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এতে যোগ করেছেন: (আমি হাযির, আমি হাযির, সৌভাগ্য আপনার হাতে) আপনি আমাকে সুখের পর সুখ দিয়ে খুশি করুন এবং সমস্ত (কল্যাণ আপনার হাতে) এবং আপনার অনুগ্রহ থেকে, (আমি হাযির এবং আপনার কাছে আমার আশা), অনুরোধ এবং প্রার্থনা তার কাছে যার হাতে কল্যাণ রয়েছে, এবং আপনার জন্য (আমল), কারণ আপনিই উপাসনার যোগ্য।
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা রমাযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান কর”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষকে অনেক নেক আমল করার জন্য কদরের রাত তালাশ, অন্বেষণ ও অনুসন্ধান করতে কঠোর পরিশ্রমের প্রতি উৎসাহিত করেছেন। এটি প্রতি বছর রমযানের দিনগুলিতে শেষ দশের বেজোড় রাতগুলিতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, যা হল: একুশতম, তেইশতম, পঁচিশতম, সাতাশতম এবং ঊনত্রিশতম।
ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কতিপয় সহাবীকে স্বপ্নের মাধ্যমে রমযানের শেষের সাত রাত্রে লাইলাতুল ক্বদর দেখানো হয়। এ শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমি দেখছি শেষ সাত রাতে তোমাদের স্বপ্নগুলো মিলে গেছে। অতএব, যে ব্যক্তি এর সন্ধান প্রত্যাশী, সে যেন শেষ সাত রাতে তা সন্ধান করে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কিছু সাহাবী স্বপ্নে দেখেছেন যে, রমযানের শেষ সাত রাতে কদরের রাত হবে। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আমি দেখতে পাচ্ছি যে রমজানের শেষ সাত দিনে তোমাদের স্বপ্নগুলি মিলে গেছে। সুতরাং যে ব্যক্তি এটি পাওয়ার ইচ্ছা করে এবং তা অনুসন্ধান করতে আগ্রহী, সে যেন অনেক নেক আমল করার উদ্দেশ্যে এটি অন্বেষণ ও অনুসন্ধান করার চেষ্টা করে। কারণ এটি শেষ সাতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যদি রমযান ত্রিশ দিনের হয় তবে এটি চব্বিশ তারিখের রাতে শুরু হয়। আর যদি রমযান ঊনত্রিশ দিনের হয়, তবে এটি তেইশ তারিখ থেকে শুরু হয়।
আবু যার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কতিপয় সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! ধনীরাই তো বেশী নেকীর অধিকারী হয়ে গেল। তারা সালাত পড়ছে যেমন আমরা সালাত পড়ছি, তারা সিয়াম রাখছে যেমন আমরা রাখছি এবং (আমাদের চেয়ে তারা অতিরিক্ত কাজ এই করছে যে,) নিজেদের প্রয়োজন-অতিরিক্ত মাল থেকে তারা সাদকাহ করছে।’ তিনি বললেন, “আল্লাহ কি তোমাদের জন্য সাদকাহ করার মত জিনিস দান করেননি? নিঃসন্দেহে প্রত্যেক তাসবীহ সাদকাহ, প্রত্যেক তাকবীর সাদকাহ, প্রত্যেক তাহলীল সাদকাহ, ভাল কাজের নির্দেশ দেওয়া সাদকাহ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা সাদকাহ এবং তোমাদের স্ত্রী-মিলন করাও সাদকাহ।” সাহাবাগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কেউ স্ত্রী-মিলন ক’রে নিজের যৌন ক্ষুধা নিবারণ করে, তবে এতেও কি তার পুণ্য হবে?’ তিনি বললেন, “কি রায় তোমাদের, যদি কেউ অবৈধভাবে যৌন-মিলন করে, তাহলে কি তার পাপ হবে? অনুরূপ সে যদি বৈধভাবে (স্ত্রী-মিলন করে) নিজের কাম-ক্ষুধা নিবারণ করে, তাহলে তাতে তার পুণ্য হবে”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনকিছু দরিদ্র সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তাদের অবস্থা, দারিদ্র্য এবং তাদের ধনী ভাইদের প্রাপ্ত মহান সওয়াব অর্জন এবং তাদের মতো সৎকর্ম করার জন্য দান-খয়রাত করতে ব্যর্থতার অভিযোগ করেছিলেন। কারণ তারা আমাদের মতোই সালাত পড়ে, আমাদের মতোই সিয়াম রাখে এবং তাদের অতিরিক্ত অর্থ দান করে, কিন্তু আমরা তা করতে পারি না! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে তারা যা দান-সদকা করতে পারে তা দেখিয়েছেন এবং তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তোমরা নিজেদের জন্য যা দান করতে পারো, আল্লাহ কি তোমাদের তা দেননি? কারণ তোমাদের কথা: (সুবহানাল্লাহ ) "আল্লাহ পূত-পবিত্র ” তেমাদের জন্য সদকার সাওয়াব হবে। অনুরূপ (আল্লাহু আকবার) “আল্লাহ সবচেয়ে বড়” একটি সদকা। (আল হামদু লিল্লাহ) "আল্লাহর জন্যই সকাল প্রশংসা" বলা একটি সদকা, (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) "আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই" বলা একটি সদকা। (ভালো কাজের আদেশ দেওয়া) হলো একটি সদকা আর (মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা) হলো একটি সদকা, বরং তোমাদের কেউ যদি তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে, তবুও তা একটি সদকা। তারা অবাক হয়ে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের কেউ তার ইচ্ছা পূরণ করবে এবং এর জন্য তার সাওয়াব হবে?! তিনি বললেন: তুমি কি মনে করো যদি সে এটিকে নিষিদ্ধ কাজে, যেমন ব্যভিচার বা অন্য কিছুতে রাখে, তাহলে কি সে এর জন্য গুনাহগার হবে? একইভাবে, যদি সে তা হালাল জায়গায় রাখে তার জন্য সাওয়াব হবে।
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন রমযানের শেষ দশক প্রবেশ করত, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নিজে জাগতেন, নিজ পরিজনদেরকেও জাগাতেন, কঠোর পরিশ্রম করতেন এবং লুঙ্গি বেঁধে নিতেন।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমযখন রমযানের শেষ দশ রাত প্রবেশ করত তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে সারা রাত সকল প্রকার ইবাদতের মাধ্যমে জেগে থাকতেন, নিজ পরিবার পরিজনদেরকেও সালাতের জন্য জাগাতেন, ইবাদতে তাঁর স্বভাবের চেয়ে বেশী কঠোর পরিশ্রম করতেন। এর জন্যই ফারিগ হতেন এবং স্ত্রী সংসর্গ বর্জন করতেন।
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: إِذَا جَآءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ সূরাহ অবতীর্ণ হবার পর নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রুকু’ ও সিজদাতে) নিম্নোক্ত দু’আটি পাঠ ব্যতীত (রুকু’ ও সিজদাতে অন্য কোন দু’আ দ্বারা) সালাত আদায় করেন নি: (আর তা হচ্ছে): سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ’’হে আল্লাহ্! তুমি পবিত্র, তুমিই আমার রব। সকল প্রশংসা তোমারই জন্য নির্ধারিত। হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে ক্ষমা কর"। তিনি আরও বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রুকু ও সাজদায় অনেক বেশী «سُبْحَانَكَ اللهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اللهُمَّ اغْفِرْ لِي» পড়তেন। তিনি কুরআনের হুকুম পালন করতেন। ( বা তার আয়াতের ব্যাখ্যা দিতেন)
সহীহ বুখারী ও মুসলিমমুমিনদের মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন যে, যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর {إذا جاء نصر الله والفتح} আয়াতটি অবতীর্ণ হয়, তখন তিনি কুরআনের ব্যাখ্যা করেন এবং {فسبح بحمد ربك واستغفره} আয়াতে ঘোষিত আল্লাহর আদেশ পালনে তৎপর হন। তারপর থেকে তিনি প্রায়শই সালাতে রুকু ও সিজদার সময় «سبحانك» কথা বলতেন। প্রত্যেক ত্রুটি যা আপনার সাথে যায় না তা থেকে আপনার পবিত্র ঘোষণা করছি। «اللهم ربنا وبحمدك» আপনার সত্ত্বা, গুণাবলী এবং কর্মের পরিপূর্ণতার জন্য উত্তম প্রশংসার মাধ্যমে। «اللهم اغفر لي» হে আল্লাহ, আমার সমস্ত পাপ দূর করো এবং তা ক্ষমা করো।
আবূ উমামাহ্ ইয়াস ইবনু সা‘লাবাহ আল-হারিসি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “যে ব্যক্তি কসমের মাধ্যমে কোন মুসলিমের হক বিনষ্ট করে তার জন্য আল্লাহ জাহান্নাম ওয়াজিব করে রেখেছেন এবং জান্নাত হারাম করে রেখেছেন”। তখন জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! অতি সামান্য বস্তু হলেও? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ “আরাক (বাবলা গাছের মত এক ধরনের কাঁটাযুক্ত) গাছের ডাল হলেও এ শাস্তি দেয়া হবে”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমদের অধিকার হরণ করার জন্য জেনেশুনে আল্লাহর নামে মিথ্যা শপথ করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। কারণ এর শাস্তি জাহান্নাম এবং জান্নাত থেকে বঞ্চিত হওয়া। এটি অন্যতম কবিরা গুনা। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল, যদি শপথ করা জিনিসটি সামান্য হয়? তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: যদিও তা আরাক গাছ থেকে নেওয়া মিসওয়াকের কাঠির ক্ষেত্রে হয়।
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যখন কোন অসুস্থ ব্যক্তি আসতো, তখন তিনি বলতেন: “হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করে দিন। আরোগ্যতা দান করুন, আপনিই একমাত্র আরোগ্য দানকারী। আপনার আরোগ্য ব্যতীত অন্য কোন আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্যতা দান করুন যা সামান্য রোগকেও অবশিষ্ট না রাখে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো রোগীকে দেখতে যেতেন, তখন তিনি তার জন্য দোয়া করতেন এবং বলতেন: হে আল্লাহ, রোগের কষ্ট ও তীব্রতা দূর করুন। হে মানুষের রব, তাদের সৃষ্টিকর্তা ও প্রতিপালক, এই রোগীকে সুস্থ করুন।, আপনিই একমাত্র নিরাময়কারী, আমি আপনার 'আশ-শাফী' (নিরাময়কারী) নামের উসীলায় আপনার কাছে শিফা প্রার্থনা করি। রোগীর আরোগ্য কেবল আপনার আরোগ্য ও সুস্থতার মাধ্যমেই সম্ভব। এমন আরোগ্য দিন যা কোনো রোগ বা অসুস্থতা অবশিষ্ট রাখে না।
আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে দিনার তুমি আল্লাহর রাস্তায় খরচ করেছ, যে দিনার তুমি গোলাম আযাদ করতে খরচ করেছ, যে দিনার তুমি মিসকিনের উপর খরচ করেছ এবং যেটি তুমি পরিবারে খরচ করেছ, তার মধ্যে তুমি যেটি পরিবারের জন্য সেটির সাওয়াবই সবচেয়ে বেশী।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছু প্রকারের ব্যয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: এক দিনার, যা তুমি আল্লাহর পথে জিহাদে খরচ করেছ; এক দিনার, যা তুমি কোনো দাসকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করার জন্য খরচ করেছ; এক দিনার, যা তুমি কোনো দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য সদকা দিয়েছ; এবং এক দিনার, যা তুমি তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য ব্যয় করেছ। এরপর তিনি জানান যে, এগুলোর মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি সওয়াবের ব্যয় হলো সেই দীনার যা তুমি তোমার পরিবার, সন্তান এবং যাদের ভরণপোষণ তোমার দায়িত্ব তাদের জন্য ব্যয় করেছ।