





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ বাকরাহ রদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “যখন দু’জন মুসলিম তলোয়ার নিয়ে পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তির অবস্থান হবে জাহান্নাম।” আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! হত্যাকারীর ব্যাপারটা তো বুঝা গেল; কিন্তু নিহত ব্যক্তির কি অপরাধ? তিনি বললেন: “সেও তার সঙ্গী (প্রতিপক্ষ)-কে হত্যা করতে আগ্রহী ছিল।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন,“যখন দু’জন মুসলিম তলোয়ার নিয়ে উভয় উভয়কে হত্যার উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন হত্যাকারী তার সঙ্গীকে হত্যায় জড়িত হওয়ার অপরাধে জাহান্নামী। সাহাবীদের কাছে নিহত ব্যক্তির জাহান্নামী হওয়ার ব্যাপারটি দূর্বোধ্য মনে হলে, তারা প্রশ্ন করলেন: নিহত ব্যক্তি কিভাবে জাহান্নামী হবে? তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে অবহিত করলেন যে, নিহত ব্যক্তিও তার সঙ্গীকে হত্যা করতে আগ্রহী ছিল আর হত্যাকারী তাকে হত্যা করে অগ্রগামী হওয়ার কারণই তাকে হত্যাকারীকে হত্যা করতে বাঁধাগ্রস্ত করেছে।
‘উমার ইবনুল খাত্তাব রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “প্রত্যেক কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে। কাজেই যার হিজরত হবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হয়েছে বলেই ধরা হবে। আর যার হিজরত হবে দুনিয়া লাভ অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যই ধরা হবে।” বুখারীর শব্দাবলী এমন: “প্রত্যেক কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল। আর নিশ্চয় প্রতিটি মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমএ হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, আমলসমূহ নিয়তের উপর নির্ভরশীল। ইবাদত ও লেনদেনসহ সকল কাজের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য। সুতরাং যে ব্যক্তি তার আমলের দ্বারা শুধু পার্থিব উপকারিতা লাভের উদ্দেশ্য করবে সে শুধু উক্ত উপকারিতাই লাভ করবে, কোন সাওয়াব প্রাপ্ত হবে না। অপরদিকে যদি কেউ তার আমলের দ্বারা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য উদ্দেশ্য করলে, সে উক্ত আমলের দ্বারা সাওয়াব ও প্রতিদান লাভ করবে; যদিও কাজটি সাধারণ কোন কাজ হয়, যেমন খাওয়া বা পান করা। অতপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাজের ক্ষেত্রে নিয়তের প্রভাব বুঝাতে একটি উদাহরণ পেশ করেছেন; যদিও বাহ্যিক দৃষ্টিতে কাজ দুটি সমান। তিনি বর্ণনা করেন যে, যে ব্যক্তি স্বীয় দেশ ত্যাগ করে হিজরত করবে এবং সে উক্ত হিজরতের দ্বারা তার রবের সন্তুষ্টি তালাশ করবে, তাহলে তার হিজরত শরী‘য়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য হিজরত বলে বিবেচিত হবে এবং তার নিয়াতের বিশুদ্ধতার কারণে সে সাওয়াবের অধিকারী হবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি পার্থিব সুযোগ-সবিধার জন্য যেমন, ধন-সম্পদ, সুনাম-সুখ্যাতি, ব্যবসা-বাণিজ্য বা স্ত্রী ইত্যাদি লাভের উদ্দেশ্যে হিজরত করবে, তবে সে উক্ত হিজরতের দ্বারা শুধু পার্থিব উদ্দেশ্যই হাসিল করবে, এতে তার কোন সাওয়াব এবং পুরস্কার প্রাপ্তি হবে না।
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আপনি আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: “তুমি রাগ করো না।" লোকটি কয়েকবার তা বলতে থাকলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক বারেই বললেন: “রাগ করো না।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।এক সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উপকারী কোন একটি নসিহত করতে আবেদন করলে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে রাগান্বিত না হতে আদেশ করেন। এর অর্থ হলো: যেসব কারণে মানুষ রাগান্বিত হয় সেসব কারণ পরিহার করা, রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা। ফলে রাগের কারণে কাউকে হত্যা, মারা বা গালি দেওয়া ইত্যাদি সীমালঙ্ঘন হবে না। লোকটি বারবার নসিহতের আবেদন করেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বারবারই রাগ না করার উপদেশ দেন।
‘উমার ইবনুল খত্তাব রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযোগ্য তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখতে, তবে তিনি তোমাদেরকে রিজিক দান করতেন, যেমন পাখিকে তিনি রিযিক দান করে থাকেন। তারা সকালে ক্ষুধার্ত হয়ে (বাসা থেকে) বের হয় এবং সন্ধ্যায় উদর পূর্ণ করে (বাসায়) ফিরে।”
এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।এ হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়া ও দীনের ব্যাপারে উপকার সাধন ও ক্ষতি দূরীকরণে আমাদেরকে মহান আল্লাহর উপর যথাযোগ্য তাওয়াক্কুল (ভরসা) করতে উৎসাহ প্রদান করেছেন। কেননা আল্লাহ ব্যতীত কেউ দিতে বা দেয়া থেকে বিরত রাখতে পারে না এবং তিনি ব্যতীত কেউ উপকার বা কোন ক্ষতিও করতে পারে না। মহান আল্লাহর উপর সত্যিকারে তাওয়াক্কুল রেখে যেসব উপায় উপকরণ উপকার সাধন করতে এবং ক্ষতি প্রতিহত করতে সাহায্য করে আমাদেরকে সেসব উপায় উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। আমরা যখন এরূপ করব তখন আল্লাহ আমাদেরকে রিযিক দান করবেন যেভাবে তিনি পাখিদেরকে দান করে থাকেন। তারা সকালে ক্ষুধার্ত হয়ে (বাসা থেকে) বের হয়, অতপর সন্ধ্যায় উদর পূর্ণ করে (বাসায়) ফিরে আসে। উপায় অবলম্বন বর্জন ও অলসতা করে ঘরে বসে না থেকে রিযিকের সন্ধানে পাখিদের বাসা থেকে বের হওয়ার এ কাজটি একটি উপায় গ্রহণ মাত্র।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মহান রব থেকে বর্ণনা করে বলেছেন: “জনৈক বান্দা পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মার্জনা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বললেন: আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে, যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে ধরেন। এ কথা বলার পর সে আবার পাপ করে এবং বলে, হে আমার রব ! আমার পাপ ক্ষমা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার এক বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে তাকে ধরবেন। তারপর সে পুনরায় পাপ করে বলে, হে আমার রব! আমার পাপ মাফ করে দাও। এ কথা শুনে আল্লাহ তা‘আলা পুনরায় বলেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে, যিনি বান্দার পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে পাকড়াও করেন। তারপর আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে বান্দা! এখন যা ইচ্ছা তুমি আমল করো। আমি তোমার গুনাহ মাফ করে দিয়েছি।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমএ হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মহান রবের থেকে বর্ণনা করে বলেন, বান্দা যখন পাপ করে, অতপর বলে, হে আমার রব! আমার পাপ মার্জনা করে দাও- তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন: আমার বান্দা পাপ করেছে, অপতর সে জানে যে, তার একজন রব আছেন, যিনি পাপ মোচন করেন, তিনি তার পাপ গোপন রাখেন এবং মার্জনা করেন অথবা পাপের কারণে তাকে শাস্তি দেন। তখন তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। অতপর বান্দা আবার পাপ করে। অতপর সে বলে, হে আমার রব! আমার পাপ ক্ষমা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা’আলা বলেন: আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে যিনি পাপ মার্জনা করেন। অতপর তিনি তার পাপ গোপন রাখেন এবং মার্জনা করেন অথবা পাপের কারণে তাকে শাস্তি দেন। তখন আল্লাহ বলেন: আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। তারপর সে পুনরায় পাপ করে বলে: হে আমার রব! আমার পাপ মাফ করে দাও। এ কথা শুনে আল্লাহ তা‘আলা পুনরায় বলেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে, যিনি বান্দার পাপ মার্জনা করেন। ফলে তিনি তার পাপ গোপন রাখেন এবং মার্জনা করে দেন অথবা পাপের কারণে শাস্তি দেন। এরপর আল্লাহ বলেন: আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। তারপর তার এ ধরনের কর্মে আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে বান্দা! তুমি যা ইচ্ছে আমল করো। সে এভাবেই পাপ করতে থাকে, অতপর লজ্জিত হয়ে পাপ ছেড়ে দেয় এবং পুনরায় পাপে লিপ্ত না হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে; কিন্তু নফস তার উপর জয়ী হয়ে যায়, অতপর পুনরায় পাপে লিপ্ত হয়ে পড়ে। সে যখনই এভাবে পাপ করতে থাকবে, আবার তাওবা করবে, আল্লাহ তাকে বারবারই ক্ষমা করে দিবেন। কেননা তাওবা পূর্বের সকল গুনাহ নি:শেষ করে দেয়।
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহর নিকট যারা ন্যায়পরায়ণ তারা মহান রহমানের ডান পার্শ্বে নূরের মিম্বরের উপর অবস্থান করবে। আর তাঁর উভয় হস্তই ডান। (ঐ ন্যায়পরায়ণগণ ) যারা তাদের বিচারে, পরিবারে এবং তার কর্তৃত্ব ও নেতৃত্বাধীন ব্যক্তিবর্গের ব্যাপারে ন্যায়নিষ্ঠ।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে সংবাদ দিয়েছেন, যারা মানুষের মাঝে অর্থাৎযারা তাদের অধিনস্থ, নিয়ন্ত্রণাধীন ও পরিবারের মাঝে ন্যায়পরায়ণতা ও সততার সাথে বিচারকার্য পরিচালনা করে, তাদের সম্মানার্থে কিয়ামতের দিন নূরের তৈরি সুউচ্চ আসনে উপবিষ্ট করা হবে। এসব মিম্বারসমূহ মহান রহমানের ডান পার্শ্ব। আর তার উভয় হস্তই ডান।
জারির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যাকে কোমলতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে , তাকে সব ধরনের মঙ্গল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিচ্ছেন, যে ব্যক্তি দয়া থেকে বঞ্চিত, তাকে তার ধর্মীয় ও পার্থিব বিষয়ে এবং যেসব বিষয়ে সে নিজের স্বার্থে কাজ করে আর যেসব বিষয়ে সে অন্যদের সাথে কাজ করে তাতে সে তৌফিকপ্রাপ্ত হয় না। কাজেই সে সকল কল্যাণ বঞ্চিত।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা কি জান, গীবত কী?” তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন:“ (গীবত হল) তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কিছু আলোচনা করা, যা সে অপছন্দ করে।” প্রশ্ন করা হল, আমি যা বলছি তা যদি আমার ভাই এর মধ্যে থাকে? তিনি বললেন: “তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে থাকে তাহলেই তুমি তার গীবত করলে। আর যদি তা না থাকে তা হলে তো তুমি তাকে অপবাদ দিলে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদীসে হারাম গীবতের প্রকৃতি ও ধরন বর্ণনা করেছেন। আর তা হলো: কোন অনুপস্থিত মুসলিমের এমন কিছু আলোচনা করা যা সে অপছন্দ করে। চাই সে দোষ তার দৈহিক হোক বা চারিত্রিক। যেমন: অন্ধ, প্রতারক, মিথ্যাবাদী ইত্যাদি খারাপ দোষ। যদিও সেসব দোষ তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে। আর যদি সেসব দোষ উক্ত ব্যক্তির মধ্যে না থাকে, তবে এটি গীবতের চেয়েও নিকৃষ্ট, যাকে অপবাদ বলে। অর্থাৎ কোন মানুষকে এমনসব দোষের মিথ্যা আরোপ করা যা তার মধ্যে নেই।
খাওলা আনসারিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “কিছু সংখ্যক মানুষ আল্লাহ তা‘আলার সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে থাকে। কিয়ামত দিবসে তাদের জন্য জাহান্নামের আগুন নির্ধারিত।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে মুসলিমদের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করা ও তা নাহকভাবে গ্রহণ করা সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন। এটি অন্যায়ভাবে সম্পদ জমা করা ও অর্জন করা ও অপাত্রে ব্যয় করা ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এ হাদীসে ইয়াতীমের সম্পদ, ওয়াকফকৃত সম্পদ ভক্ষণ, আমানত ফেরত দিতে অস্বীকার করা, জনসাধারণের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করে। অতপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিয়ামতের দিনে তাদের প্রতিদান যে জাহান্নাম তার সংবাদ দিয়েছেন।