





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ মূসা আল-আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ তা’আলা যালিমদের ঢিল দিয়ে থাকেন। অবশেষে যখন তাকে ধরেন, তখন আর ছাড়েন না।” (বর্ণনাকারী বলেন) এরপর তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এ আয়াত পাঠ করেন: “আর এরকমই বটে আপনার রবের পাকড়াও, যখন তিনি কোন জনপদবাসীকে পাকড়াও করেন তাদের জুলুমের কারণে। নিঃসন্দেহে তাঁর পাকড়াও বড় যন্ত্রণাদায়ক, অত্যন্ত কঠিন।” [সূরা হূদ, আয়াত: ১০২]
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে পাপাচার, শিরক ও মানুষের হকের ব্যাপারে যুলুম করা থেকে সতর্ক করেছেন। কেননা আল্লাহ তা’আলা যালিমদের ঢিল দেন, সুযোগ দেন, আয়ু এবং সম্পদ বাড়িয়ে দেন। ফলে তাৎক্ষণিক তাদের শাস্তি দেন না। তবে তারা যদি তাওবা না করে, অধিক যুলুমের কারণে তাদের পাকড়াও করেন, তখন আর সুযোগ এবং ছেড়ে দেন না। অতপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিচের আয়াতটি তিলাওয়াত করেন: “আর এরকমই বটে আপনার রবের পাকড়াও, যখন তিনি কোন জনপদবাসীকে পাকড়াও করেন তাদের জুলুমের কারণে। নিঃসন্দেহে তাঁর পাকড়াও বড় যন্ত্রণাদায়ক, অত্যন্ত কঠিন।” [সূরা হূদ, আয়াত: ১০২]
আবূল হাইয়্যাজ আল আসাদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ’আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আমাকে বলেছেন: আমি কি তোমাকে এমন কাজে পাঠাব না, যে কাজে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পাঠিয়েছিলেন? তা হচ্ছে: “কোন (জীবের) প্রতিকৃতি বা মূর্তি দেখলে তা মিটিয়ে দিবে এবং কোন উঁচু কবর দেখলে তা সমান করে দিবে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদেরকে বিভিন্ন অঞ্চলে প্রেরণ করে আদেশ করতেন: তারা যেন কোন জীবের প্রতিকৃতি - রূহ বিশিষ্ট প্রাণীর প্রতিকৃতি বা মূর্তি- দেখলে তা সরিয়ে ফেলে বা মুছে ফেলে। এমনিভাবে কোন উঁচু কবর দেখলে তা যেন তারা জমিনের সাথে সমান করে দেয় এবং কবরের উপর নির্মিত উঁচু স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলে অথবা এমনভাবে সমতল করবে যা জমিন থেকে তেমন উঁচু হবে না; বরংেএক বিঘত পরিমান উঁচু হতে পারে।
ইমরান ইবনু হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সে ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয় (আমার উম্মাত নয়) যে শুভ- অশুভ নির্ণয় করে অথবা যার জন্য শুভ-অশুভ নির্ণয় করা হয়, অথবা যে ব্যক্তি ভাগ্য নির্ণয় করে অথবা যার জন্য করা হয়, অথবা যে ব্যক্তি যাদু করে বা যার জন্য যাদু করা হয়, এবং যে ব্যক্তি কোনো (সুতা-তাগা ইত্যাদিতে) গিট দেয়। আর যদি কেউ কোনো গণক-জ্যোতিষী বা অনুরূপ ভাগ্য বা ভবিষ্যদ্বক্তার নিকট গমন করে এবং তার কথা বিশ্বাস করে, সে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর অবর্তীণ দ্বীনের সাথে অবশ্যই কুফরী করল।”
এটি বাযযার বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মত থেকে যারা কতক কাজ করে, তাদেরকে "তারা আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত নয়" বলে সতর্ক করেছেন সে কাজগুলো হলো: প্রথম: (من تَطَيَّرَ أو تُطُيِّرَ) “যে ব্যক্তি শুভ-অশুভ নির্ণয় করে অথবা যে ব্যক্তির জন্য শুভ-অশুভ নির্ণয় করা হয়।” এর মূল হলো: সফর অথবা ব্যবসা-বাণিজ্য অথবা অন্য কোন কাজ শুরু করার আগে একটি পাখি উড়িয়ে দেওয়া। পাখিটি যদি ডান দিকে উড়ে যায়, তবে সেটাকে শুভ মনে করে উক্ত কাজটি সম্পন্ন করা। আর পাখিটি যদি বাম দিকে উড়ে যায়, তবে সেটাকে অশুভ মনে করে কাজটি করা থেকে বিরত থাকা। সুতরাং এ ধরনের কাজ নিজে বা অন্য কে দিয়ে এ কাজ করানো জায়েয নেই। এ ধরনের শুভ-অশুভ নির্ণয় করার মধ্যে পাখি বা পশু বা বিকলাঙ্গ ব্যক্তি, সংখ্যা বা দিন নির্ধারণ বা অন্য সকল প্রকারের শ্রুত বা দৃশ্য সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত। দ্বিতীয়: (من تَكَهَّنَ أو تُكُهِّنَ له) “অথবা যে ব্যক্তি ভাগ্য নির্ণয় করে অথবা যার জন্য ভাগ্য নির্ণয় করা হয়।” সুতরাং যে ব্যক্তি তারকারাজি ও অন্যান্য কোন কিছুর সাহায্যে অদৃশ্যের ইলম জানার দাবী করবে অথবা যে ব্যক্তি গায়েব জানে এমন দাবিদার , যেমন গনক ইত্যাদি এমন কারো কাছে গমন করবে এবং সে যা বলে তা যদি বিশ্বাস করে, যেহেতু সে গায়েবের ইলম জানে বলে দাবী করে, তবে সে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাযিলকৃত বিধানের সাথে কুফরী করল। তৃতীয়: (من سحر أو سحر له) “অথবা যে ব্যক্তি যাদু করে বা যার জন্য যাদু করা হয়।” সে নিজে নিজের জন্য যাদু করে অথবা অন্য কারো মাধ্যমে যাদু করায়, যাতে তার দ্বারা কারো উপকার বা তার ক্ষতি করতে চায় , অথবা যে ব্যক্তি কোনো (সুতা-তাগা ইত্যাদিতে) গিট দেয়, নিষিদ্ধ ঝাড়-ফুঁক ব্যবহার করে যাদু করে এবং তাতে ফুঁ দেয়।
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কতিপয় স্ত্রী থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি গণকের কাছে যায় এবং (তার কথা সত্য ভেবে) কোন কথা জিজ্ঞেস করে, তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হয় না।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে গণকের কাছে যাওয়া থেকে সর্তক করেছেন। গণক, জ্যোতিষী, হস্তরেখা ও পদরেখা দেখে ভবিষ্যৎবানীকারী ইত্যাদি সকলেই ভবিষ্যদ্বক্তার অন্তর্ভুক্ত, তারা সকলেই কোন কিছুর পূর্বাভাষ দেখে গায়েব জানার দাবী করে। আর তাদের কথা সত্য ভেবে শুধু তাদেরকে কোন কথা জিজ্ঞেস করলে, তাদের উক্ত পাপের শাস্তি ও বড় গুনাহের কারণে তাকে চল্লিশ দিনের সালাতের সাওয়াব থেকে আল্লাহ বঞ্চিত করেন।
ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু শিক্ষা করলো, সে যেন যাদু বিদ্যার একটা শাখা আয়ত্ত করলো, এখন তা যতো বৃদ্ধি পাবে যাদুবিদ্যাও ততো বাড়বে।”
এটি আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন, জ্যোতিষ বিদ্যা, রাশিফল, মহাবিশ্বের বিভিন্ন কক্ষপথের ঘূর্ণায়ণ, এগুলোর কক্ষপথে প্রবেশ ও বাহিরের ফলে পৃথিবীতে অমুকের মৃত্যু বা অমুকের জন্ম বা কারো অসুস্থতা ইত্যাদি ঘটনাবলী সংঘটিত হয় যা ভবিষ্যতে সংঘটিত হবে বলে যারা প্রমাণ পেশ করে, যে ব্যক্তি এসবের কিছু শিক্ষা করলো বা গ্রহণ করলো, তাহলে সে যেন যাদু বিদ্যার কিছু অংশ শিক্ষা করলো। এখন তা যতো বৃদ্ধি পাবে তার যাদুবিদ্যাও ততো বাড়বে।
আব্দুল্লাহ ইবন মাস‘ঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সবেচয়ে বড় কবীরাহ গুনাহ হলো আল্লাহর সাথে শির্ক করা, আল্লাহর পাঁকড়াও থেকে নিরাপদ হওয়া, আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া ও আল্লাহর প্রশস্ততা হতে হতাশ হওয়া।”
এটি আব্দুর রায্যাক বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীসটিতে কতক গুনাহের কথা আলোচনা করেন যেগুলো বড় গুনাহ হিসেবে গণনা করা হয়ে থাকে। তা হলো, রুবূবিয়্যাত ও উবূদিয়্যাতে আল্লাহর জন্য শরীক সাব্যস্ত করা। প্রথমে এটি নিয়ে এসেছেন, কারণ এটি গুনাহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক। আল্লাহর থেকে হতাশ ও নৈরাশ হওয়া। কারণ, এটি আল্লাহর প্রতি মন্দ ধারণা ও তার রহমতের ব্যাপকতা সম্পর্কে অজ্ঞতার প্রমাণ। আরেকটি পাপ হল আল্লাহ বান্দাকে যে নি‘আমত দ্বারা অবকাশ দেন তাতে বান্দার ডুবে থাকা যতক্ষণ না তিনি তাকে তার অজান্তেই পাকড়াও করেন। হাদীস দ্বারা উল্লিখিত পাপসমূহে কবীরা গুনাহকে সীমাবদ্ধ করা উদ্দেশ্য নয়। কারণ, কবীরাহ গুনাহ অনেক, তবে তার বড়গুলো বর্ণনা করা উদ্দেশ্য।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “ঈমানের সত্তরটিরও অথবা ষাটটিরও বেশি শাখা রয়েছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো এ সাক্ষ্য দেয় যে, ‘আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনো মাবূদ নেই।’ আর সর্বনিম্ন হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস অপসারণ করা। এবং লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি শাখা।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে সংবাদ দিয়েছেন, ঈমানের রয়েছে কতিপয় শাখা-প্রশাখা ও বৈশিষ্ট্য। সেগুলো কর্ম , আক্বীদাহ ও কথাকে অন্তর্ভুক্ত করে। ঈমানের সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম বৈশিষ্ট্য হলো: (لا إله إلا الله) ‘আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো সত্য ইলাহ নেই।’ এ কালিমার অর্থ জেনে বুঝে এবং এর দাবী অনুযায়ী আমল করত: উক্ত কথা বলা। এর অর্থ হলো আল্লাহই একমাত্র ইলাহ, তিনি এক ও অদ্বিতীয়, সকল ইবাদতের তিনিই একমাত্র অধিকারী, তিনি ব্যতীত কেউ ইবাদতের যোগ্য নয়। ঈমানের সর্বনিম্ন আমল হলো রাস্তায় যেসব জিনিস মানুষকে কষ্ট দেয় তা অপসারণ করা। অতপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি শাখা। এটি এমন একটি চরিত্র যা ভালো কাজ করতে এবং খারাপ কাজ পরিহার করতে অনুপ্রেরণা যোগায়।
আবূ বাশীর আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: তিনি কোনো এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন। আবূ বাশীর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন দূত পাঠালেন। লোকজন তখন ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। (দূত এ মর্মে ঘোষণা দিলেন যে,) “উটের গলায় সুতার বা যে কোন মালা যেন অবশিষ্ট না থাকে, এ গুলো কেটে ফেলো।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে ছিলেন। লোকজন তাদের যানবাহন ও তাবুতে অবস্থিত ঘুমের জায়গায় ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোককে নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন যে, তারা যেন তাদের উটের গলার মালা কেটে ফেলে, যা তারা উটের গলায় ধনুকের তারের পট্টি বা অন্যান্য সাধারণ কোনো পট্টি যেমন ঘন্টা বা জুতা ইত্যাদি, ঝুলিয়ে দিতো। মানুষের চোখের ক্ষতি-বদনজর থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তারা এসব করতো। ফলে তিনি এগুলো কেটে ফেলার নির্দেশ দিলেন। কেননা এগুলো কোন ক্ষতি প্রতিহত করতে পারে না। বরং কোন উপকার বা ক্ষতি সাধন করা একমাত্র মহান আল্লাহর হাতে, যার কোন শরীক নেই।
আব্দুল্লাহ ইবন উকাইম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি কোনো কিছু ঝুলালো তাকে তার দিকে সপর্দ করা হবে।”
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।যে ব্যক্তির অন্তর অথবা কর্ম বা উভয় দিয়ে এমন কোনো বস্তুর দিকে ঝুঁকে এবং তা থেকে উপকার লাভ বা ক্ষতি প্রতিহত করার আশা করে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে ঐ জিনিসে সোপর্দ করেন যার প্রতি সে ঝুঁকল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঝুঁকল আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট হবেন এবং তার জন্য সব কঠিন কাজ সহজ করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি গাইরুল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত হলো আল্লাহ তা‘আলা তাকে তার প্রতি সোপর্দ করবেন এবং অপমান অপদস্থ করবেন।