





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন এক যুদ্ধে জনৈক মহিলাকে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলা ও শিশুদের হত্যা করতে নিষেধ করেন।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো এক যুদ্ধে একজন নিহত নারীকে দেখলেন। তখন তিনি নারী ও ছোট বালক যারা সাবালক হয়নি তাদের হত্যা করাকে নিষিদ্ধ করলেন।
ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি মানত করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, “তা কোন রকম কল্যাণ বয়ে আনে না। তবে এর মাধ্যমে কৃপণ লোকের থেকে কিছু বের করা হয়”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মান্নত করতে নিষেধ করেছেন। আর মান্নত হলো শরীয়তদাতা মানুষের ওপর যা আবশ্যক করেননি তাই তার নিজের ওপর আবশ্যক করা। তিনি বলেন, মান্নত কোনো জিনিস এগিয়ে আনতে বা পিছিয়ে দিতে পারে না, তবে তার দ্বারা কৃপণ থেকে কিছু বের করা হয়, যে ওয়াজিব কর্ম ছাড়া কিছু করে না। বস্তুত মান্নত যা তাকদীরে নির্ধারণ করা হয়নি তা নিয়ে আসতে পারে না।
আবূ মূসা আল-আশ’আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি একবার কতক আশ’আরী (গোত্রের) লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে একটি বাহন চাওয়ার জন্য এলাম। তিনি বললেনঃ “আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিতে পারব না। আমার কাছে কিছু নেই যা বাহন হিসাবে তোমাদেরকে দিতে পারি। অতঃপর আল্লাহ্ যতক্ষণ চাইলেন আমরা অবস্থান করলাম। এমন সময় তাঁর কাছে কিছু উট আনা হল। তখন তিনি আমাদেরকে তিনটি উট দেয়ার নির্দেশ দিলেন। আমরা যখন রওনা দিলাম, তখন আমরা বলাবলি করলাম যে, আল্লাহ্ আমাদের বরকত দেবেন না। আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য যখন এলাম তখন তিনি আমাদেরকে বাহন দেবেন না বলে শপথ করলেন। তারপরেও আমাদেরকে বাহন দিলেন। আবূ মূসা বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলাম এবং বিষয়টি তাঁর কাছে উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমি তো তোমাদেরকে বাহন দেইনি; বরং আল্লাহ্ দিয়েছেন। আল্লাহর শপথ! -ইনশাআল্লাহ্- আমি যখন কোন ব্যাপারে শপথ করি আর তার উল্টোটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই তখন কসমের কাফ্ফারা আদায় করি। আর যেটি কল্যাণকর সেটিই করি”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমআবূ মূসা আল-আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর গোত্রের একটি দল নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসেছিলেন এবং তাদের উদ্দেশ্য ছিল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাওয়ার হতে উট দিবেন, যাতে জিহাদে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়। তখন তিনি শপথ করলেন যে, তাদের তিনি উট দিবেন না কেননা তার কাছে তাদেরকে সওয়ারি দেওয়ার মত কিছুই নেই। তারা ফিরে গেলেন এবং কিছু সময় অবস্থান করলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তিনটি উট আসল। তিনি সেগুলো তাদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। তখন তারা পরস্পর বলাবলি করল: এই উটসমূহে আল্লাহ আমাদের বরকত দিবেন না। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে উট না দেওয়ার কসম করেছেন। কাজেই তারা তাঁর কাছে আসলেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদেরকে যিনি উট দিয়েছেন তিনি হলেন আল্লাহ তা‘আলা। কারণ, তিনিই তাওফিক প্রদান করেছেন ও রিযিক দিয়েছেন। বস্তুত আমি হলাম উপায়, সেটি আমার হাতে বাস্তবায়িত হয়েছে। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহর কসম, আমি - ইনশাআল্লাহ- যখন কোনো জিনিস করা অথবা ছেড়ে দেওয়ার কসম করি এবং কসমের বিপরীত জিনিস উত্তম ও ভালো দেখি, তখন উত্তম কাজটি করে ফেলি এবং কসম ছেড়ে দেই আর কসমের কাফফারা আদায় করি।
আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন এক লোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে থাকে, আবার কেউ বংশ কৌলিন্যের কারণে যুদ্ধ করে আবার কেউ মানুষ দেখানোর জন্য যুদ্ধ করে থাকে, এদের মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় হয়েছে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “যে ব্যক্তি শুধুমাত্র আল্লাহর কালিমাকেই উঁচু রাখার জন্য যুদ্ধ করবে, তার যুদ্ধই শুধু আল্লাহর রাস্তায় হবে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমআল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যোদ্ধাদের মধ্যে বিদ্যমান ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল; যে ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য লড়াই করে, অথবা বংশ মর্যাদা রক্ষার জন্য লড়াই করে, অথবা মানুষের মধ্যে তার অবস্থান দেখানোর জন্য বা অন্যান্য কারণে লড়াই করে, তাদের মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদ) হয়েছে বলে ধরা হবে? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিলেন, আল্লাহর রাস্তায় লড়াইকারী তো শুধু ঐ ব্যক্তি, যে আল্লাহর কালিমা উঁচু হোক, শুধুমাত্র এ কারণেই লড়াই করে।
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুয়ায্যিন যা বলে তোমরাও অনুরূপ বল।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে মুয়াযযিনের আযান শুনে তার জবাব দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেন। আর তা হলো মুয়াযযিন যা বলবেন, আমরাও হুবহু তা-ই বলবো। সুতরাং তিনি যখন আল্লাহু আকবর বলবেন, আমরাও তারপরে আল্লাহু আকবর বলবো।তিনি যখন‘আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এবং ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ বলবেন, আমরাও তার বলার পরে অনুরূপ বাক্যই বলবো। তবে ‘হাইয়্যা ‘আলাস সালাহ’ এবং হাইয়্যা ‘আলাল ফালাহ’ এর ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে: মুয়াযযিন যখন তা বলবেন,উভয়টির জবাবে তখন বলা হবে: (لا حول ولا قوة إلا بالله) ‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’।
মুগীরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে কোন এক সফরে ছিলাম। (উযূ করার সময়) আমি তাঁর মোজা দু’টি খুলার জন্য ঝুকলে তিনি বললেন: ও দু’টো থাক, আমি পবিত্র(ওজু) অবস্থায় ও দু’টি পরেছিলাম।" (এই বলে) তিনি তার উপর মাসেহ করলেন।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে ছিলেন। অতঃপর তিনি অযু করলেন। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের দু’পা ধৌত করার পালা আসলো, তখন মুগীরাহ ইবন শু‘বাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাঁর পায়ের মোজা দু’টি খুলতে হাত বাড়িয়ে দিলেন, যাতে তিনি তাঁর পা ধৌত করতে পারেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ও দু’টো থাক, এ দু’টো খুলো না; কারণ আমি ওজু অবস্থায় উভয় পা মোজা দুটিতে প্রবেশ করেছিলাম। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উভয় পা না ধুয়ে মোজার উপর মাসেহ করলেন।
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন: আমার ইস্তিহাযা (মেয়েদের অনিয়মিত রক্ত ঝরা) হয়েছে এবং পবিত্র হচ্ছি না। আমি কি সালাত ছেড়ে দিবো? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “না, ওটা শিরার (ধমনী) রক্ত। তবে এরূপ হওয়ার আগে নিয়মিত যতদিন হায়য হতো সে কয়দিন সালাত অবশ্যই ছেড়ে দাও। তারপর গোসল করে নিবে ও সালাত আদায় করবে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন: আমার হায়েযের রক্ত বন্ধ হয় না, হায়েযের সময় শেষ হলেও তা চলতে থাকে। এটি কি হায়েযের বিধানের মতোই? তাই আমি কি সালাত ছেড়ে দিবো? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: ওটা ইস্তিহাযার (অনিয়মিত) রক্ত। এটি শিরার (ধমনীর) রক্ত, যা জরায়ুর নিম্নস্তরের শিরা হতে বের হয়। এটি মূলত মাসিক হায়েযের রক্ত নয়। অতএব ইস্তিহাযা হওয়ার আগে সাধারণ সময়ে যতদিন হায়েয(মাসিক স্রাব) হতো সে কয়দিন সালাত ও সাওম ও অন্যান্য ইবাদত যা হায়েয অবস্থায় ছেড়ে দিতে হয়, সেগুলো ছেড়ে দিবে। অতঃপর যখন হায়েযের সময়সীমা শেষ হবে, তারপরে তুমি হায়েয থেকে মুক্ত হলে । সুতরাং তুমি রক্তাক্ত জায়গাটি প্রথমে ধুয়ে নিবে। অতঃপর তোমার শরীর উত্তমরূপে ধৌত করবে, অপবিত্রতা দূর করতে পরিপূর্ণভাবে গোসল করবে। অতঃপর সালাত আদায় করবে।
আনাস ইবনু মালিক রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা তোমাদের কাতারগুলো সোজা কর; কেননা কাতার সোজা করা সলাতের পূর্ণতার অন্তর্ভুক্ত।“
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায়কারীদেরকে আদেশ করেছেন তারা যেন তাদের কাতারকে সোজা করে, তাদের কেউ কারো থেকে এগিয়ে অথবা পিছিয়ে দাঁড়াবে না। আর কাতার সোজা করা সালাতের পূর্ণতার অন্তর্ভুক্ত, কাতার বাঁকা হওয়া সালাতের মধ্যে ত্রুটি এবং অপূর্ণতা।
আবূ হুরাইরাহ্ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَجْعَلْ فِي أَنْفِهِ ثُمَّ لِيَنْثُرْ، وَمَنِ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ، وَإِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ فَلْيَغْسِلْ يَدَهُ قَبْلَ أَنْ يُدْخِلَهَا فِي وَضُوئِهِ، فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لاَ يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ». “তোমাদের মধ্যে কেউ যখন অযু করে তখন সে যেন নাকে পানি দেয়, এরপর যেন নাক ঝেড়ে নেয়। আর যে ইস্তিঞ্জা করে সে যেন বেজোড় সংখ্যক ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করে। আর তোমাদের কেউ যখন ঘুম থেকে জাগে তখন সে যেন অযুর পানিতে হাত ঢুকানোর আগে তা ধুয়ে নেয়; কারণ তোমাদের কেউ জানে না যে, ঘুমন্ত অবস্থায় তার হাত কোথায় থাকে।” মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে: «إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ فَلَا يَغْمِسْ يَدَهُ فِي الْإِنَاءِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ثَلَاثًا، فَإِنَّهُ لَا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ». “তোমাদের কেউ যখন ঘূম থেকে উঠে, তখন সে যেন তার হাত তিনবার না ধোয়া পর্যন্ত পাত্রে না ঢুকায়। কারণ সে জানেনা যে, তার হাত রাতে কোথায় ছিল।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদীসে তাহারাতের কতিপয় বিধান বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে কয়েকটি হলো: প্রথমত: যখন কেউ অযু করবে, তখন সে শ্বাসের সাহায্যে তার নাকে পানি দিয়ে শ্বাসের সাহায্যে বেরও করে ফেলবে। দ্বিতীয়ত: যে ব্যক্তি লজ্জাস্থানের নাপাকী পানি ছাড়া পরিস্কার করতে চায়, যেমন পাথর ইত্যাদি দ্বারা, সে যেন বেজোড় সংখ্যক ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করে। সর্বনিম্ন তিন এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা হলো যতক্ষণ না নির্গত ময়লা দূর হয় এবং মলদ্বার পরিপূর্ণভাবে পরিষ্কার হয়। তৃতীয়ত: যে কেউ রাতের বেলায় ঘুম থেকে জাগে, সে যেন অযুর করার জন্য পাত্রে হাত প্রবেশ না করায়। যতক্ষণ না তা পাত্রের বাহিরে তিনবার ধুয়ে নিবে। কারণ, সে তো জানে না, ঘুমন্ত অবস্থায় তার হাত কোথায় কোথায় থাকে। কেননা সে হাত যে নাপাক থেকে মুক্ত তা নিশ্চিত নয়। তাছাড়াও শয়তান হয়ত এর সাথে এমন ময়লা কিছু নিয়ে এসেছে যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর বা পানি নষ্ট করে ফেলে।